বুধবার, 27 নভেম্বর 2024 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

গণ-অভ্যুত্থানের গান নিয়ে বশেফমুবিপ্রবিতে কণ্ঠশিল্পী আমিরুল মানিক

প্রতিবেদক
মিরাজ হোসেন, জাবিপ্রবি প্রতিনিধি
বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৪ - ১২:২৭ অপরাহ্ন

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেফমুবিপ্রবি) উদযাপিত হতে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। দিনটি উদযাপন উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এই আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জীবনমুখী গানের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আমিরুল মোমেনীন মানিক।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) বিকেল ৪টায়  বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সুস্থ সাংস্কৃতি পরিবেশনে মানিক ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের গান পরিবেশন করবেন। এর পাশাপাশি থাকছে সমন্বিত সাংস্কৃতিক সংসদ (সসাস)-এর শিল্পীবৃন্দের নাটিকা ও কৌতুক প্রদর্শনী, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অতিথিদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে।

পরবর্তী পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় থাকবে গান, কবিতা আবৃত্তি, নাটিকা ও কৌতুক। দিনটির সমাপ্তি ঘটবে একটি জনপ্রিয় বাংলা রক ব্যান্ডের মঞ্চ মাতানো পরিবেশনার মাধ্যমে।

জীবনমুখী গানের শিল্পী হিসেবে খ্যাতি অর্জন করা আমিরুল মোমেনীন মানিক বাংলা গানের ভুবনে একটি উজ্জ্বল নাম। তার গানগুলোতে সমাজের সমসাময়িক বাস্তবতা ও মানবিকতার ছোঁয়া স্পষ্ট। তার জনপ্রিয় “স্ট্যান্ডবাই সং” সিরিজ শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

একজন সফল কণ্ঠশিল্পীর পাশাপাশি মানিক একজন গীতিকার, সুরকার, সাংবাদিক এবং লেখক। তিনি ইউনেস্কো ক্লাব জার্নালিজম অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছেন। তার লেখা বই “বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় স্টুপিড শিক্ষক” একুশে বইমেলায় বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। এছাড়া, নচিকেতার সঙ্গে তার দ্বৈত গান “আয় ভোর” তাকে দুই বাংলার শ্রোতাদের কাছে আরও পরিচিত করে তুলেছে।

ইউটিউব জার্নালিজমের অগ্রদূত আমিরুল মোমেনীন মানিকের বাড়ি জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার এক নিভৃত শ্যামল গাঁও গোবিন্দপুর নাংলা কাঠপাড়া গ্রামে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মনে করেন, এই আয়োজন তাদের জীবনে নতুন প্রেরণা সৃষ্টি করবে। একজন প্রখ্যাত শিল্পীর গান শোনা ও সসাসের পরিবেশনা উপভোগ করা তাদের ক্যাম্পাস জীবনের স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে এই আয়োজনে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। দিনটিকে সবার জন্য উৎসবমুখর ও উপভোগ্য করে তোলার প্রত্যাশা করছেন আয়োজকরা।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের এই আয়োজন কেবল বিনোদনের নয়, বরং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নতুন অভিজ্ঞতার সুযোগ এনে দেবে।

সর্বশেষ - শিক্ষা