বৃহস্পতিবার, 6 ফেব্রুয়ারি 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

বামনডাঙ্গা ইউনিয়নে WFP কার্যক্রমে হরিলুট: চেয়ারম্যান ও কাজ পরিদর্শকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

প্রতিবেদক
জাহিদ খান কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ - ৫:১৭ অপরাহ্ন

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রনি’র বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তার কর্মকাণ্ডে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এবং সাধারণ মানুষ চরমভাবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আসাদুজ্জামান রনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ এমপি আসলাম হোসেন সওদাগরের মদদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি বিভিন্ন সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ তহবিল এবং পরিষদের রাজস্ব খাত থেকে অর্থ আত্মসাতের নানা অভিযোগের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

তার আমলে টিআর, কাবিখা/কাবিটা, জি আর, ভিজিডি, এডিবি, এলজিএসপি, ননওয়েজ, লজিক, ইজিপিপি-সহ বিভিন্ন সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের তহবিলের অপব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এমনকি জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন ফি, ইউপি ট্যাক্স, হাটবাজারের ইজারার অর্থও যথাযথভাবে ব্যবহার না করে নিজের খেয়ালখুশি মতো ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বর্তমানে WFP অর্থায়নে RDRS-এর তত্ত্বাবধানে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ২০৬০ মিটার নতুন রাস্তা নির্মাণে ১ কোটি ১১ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল। স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পের কাজ খুবই নিম্নমানের এবং প্রায় নামমাত্র বাস্তবায়ন করা হয়েছে। প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত তদারকি কর্মকর্তা RDRS-এর আরিফুল ইসলামসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যানকে এই দুর্নীতিতে সহযোগিতা করার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রনি জনগণের অভিযোগকে গুরুত্ব না দিয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “যা পারেন করেন। অফিস ম্যানেজ মানেই সব ম্যানেজ।”

একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, চেয়ারম্যানের একনায়কতান্ত্রিক আচরণ তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে। তারা বলেন, “দেশের ফ্যাসিস্ট শাসন শেষ হলেও আমাদের ইউনিয়নে এখনো ফ্যাসিস্ট শাসন চলমান। WFP প্রকল্পের নামে জনগণের প্রাপ্য সুবিধা লুটপাট করা হয়েছে।”

বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আমজাদ হোসেন বলেন, “আমি গত টার্মে চেয়ারম্যান ছিলাম। এবার নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর আসাদুজ্জামান রনি আমার পরিবারের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে। তার লোকজনের হামলায় আমার পরিবার ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে আছে। এমনকি আমার ছোট ভাইকে হারিয়েছি। কিন্তু কোথাও সুবিচার পাইনি।”

বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রনি’র বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা চান, ইউনিয়ন পরিষদে সুশাসন ফিরিয়ে আনা হোক এবং প্রকল্পগুলোতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হোক।

এই বিষয়ে চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রনি’র সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

উপজেলা ও জেলা প্রশাসন দ্রুত তদন্ত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে প্রত্যাশা করছেন বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের জনগণ।

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ

আপনার জন্য নির্বাচিত

শেকৃবি থেকে গ্রেফতার আ.লীগের লিফলেট বিতরণকারী সেই মুকিব মিয়া

মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তিতে মাভাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ ও নিন্দা

যবিপ্রবিতে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালন

খুবিতে ১ কোটি ২১ লাখ টাকা গবেষণা অনুদানের চেক বিতরণ

সিদ্ধিরগঞ্জে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্বীন ইসলাম নিহত

বাকৃবির রোভার স্কাউট গ্রুপের নতুন কমিটি গঠন

ইউনিস্যাব রাজশাহীর নতুন কমিটি গঠন

সিরাজগঞ্জের ফুলজোড় নদীতে নিখোঁজ হওয়া ০৩ বন্ধুর মরদেহ উদ্ধার

রফিনগরে ভাষা দিবস পালনে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপস্থিতি, উপেক্ষার কারণ কী?

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকদের ভুলে খেসারত পা হারিয়ে দিতে হয়েছে টুটুল মন্ডলকে।