রবিবার, 23 ফেব্রুয়ারি 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের মশাল হাতে বিক্ষোভ মিছিল

বুলেটিন বার্তা ডেস্ক:
বুলেটিন বার্তা ডেস্ক:
রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ - ১:০৫ অপরাহ্ন

ধর্ষণ, চাঁদাবাজি এবং শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস ও আধিপত্যের রাজনীতি কায়েমের বিরুদ্ধে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা মশাল হাতে বিক্ষোভ মিছিল করে।

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে দশ’টায় শিক্ষার্থীরা মশাল হাতে জড়ো হয় ঢাকা কলেজের হল পাড়ায়। পরে মিছিল নিয়ে রাজধানীর সাইন্সল্যাব হতে নীলক্ষেত প্রদক্ষিণ করে ঢাকা কলেজের মূল ফটকে এসে পৌঁছায়।

‎মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ঢাকা কলেজের  বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক মো. আফজাল বলেন, বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস ও আধিপত্যের রাজনীতি কায়েম বিভিন্ন ধরনের ঘটনা আমরা প্রতিনিয়ত লক্ষ্য করছি। যেগুলো ফ্যাসিস্ট আমলে দৈনন্দিন রুটিন ছিল। সেই রুটিন কিভাবে এখনও বজায় থাকে তা আমাদের বোধগম্য হয় না। সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা।

তিনি আরও বলেন,  ছাত্র-জনতার সরকার যদি দেশের জনগণের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে পদত্যাগের আহ্বান জানাচ্ছি। বর্তমানে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার  নিরব ভূমিকা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা চব্বিশের ফ্যাসিস্ট আমলের দৃশ্যপট স্মরণ করিয়ে দেয়।

পরবর্তী সময় হতে বাংলার জলে-স্থলে কোথাও যদি ধর্ষণ,চাঁদাবাজি, এবং শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস ও আধিপত্যের রাজনীতি কায়েম এমন কিছু লক্ষ্য করা যায় তাহলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন তার বিপক্ষে অবস্থান করবে।  দেশের ক্লান্তি লগ্নে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সর্বদা রাজপথে থাকবে এবং যেকোনো ধরনের অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে সজাগ দৃষ্টি রাখবে।

ঢাকা কলেজের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সজীব বলেন, বর্তমানে চারদিকে লক্ষ্য করলে দেখায় যে, গণ-ধর্ষণ, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস, অন্যায় – অবিচার ইত্যাদি। যা ছিল ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের সংস্কৃতি। বাংলার জমিনে বর্তমান সময়ে যে বিচারহীনতার সংস্কৃতি সৃষ্টি হচ্ছে, এক্ষেত্রে আইন উপদেষ্টার এমন নীরবতা কাম্য নয়।

আইন উপদেষ্টার প্রতি আহ্বান জানিয়ে আরও বলেন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি এবং দোষীদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করা।

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ