শনিবার, 12 এপ্রিল 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

ডিআইইউর ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের ভাবনা, অভিমত ও প্রত্যাশা

প্রতিবেদক
Delowar Mahmud
শনিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৫ - ১:০৭ অপরাহ্ন

দেলোয়ার মাহমুদ, ডিআইইউ প্রতিনিধিঃ 

৭ই  এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) সাফল্যের সাথে ৩০ বছর পূর্ণ করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ বি এম মফিজুল ইসলাম পাটোয়ারী ৭ এপ্রিল ১৯৯৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। তিন দশক ধরে জ্ঞান বিতরণ, গবেষণা এবং সমাজের সেবায় নিবেদিত এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই বিশেষ দিনে, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার তার দীর্ঘ পথচলার অর্জন, বর্তমানের সাফল্য এবং ভবিষ্যতের স্বপ্নকে সম্মিলিতভাবে উদযাপন করছে। ডিআইইউ শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নয়, এটি একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের কারিগর, যা সময়ের সাথে সাথে আরও পরিণত ও শক্তিশালী হয়েছে। 

ডিআইইউ’র কয়েকটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন-“বুলেটিন বার্তার” ডিআইইউ ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, দেলোয়ার মাহমুদ। শিক্ষার্থীদের মতামত জানতে চাওয়া হলে তাঁরা তাঁদের অভিমত প্রকাশ করেন।

শিক্ষার্থীরা হলেনঃ  ইংরেজি বিভাগের এনজেল চাকমা, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ শামিম মাতুব্বর, ইংরেজি বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী সারমিন আক্তার ইতি, এবং ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী, জুবায়ের আশা প্রমুখ। নিচে শিক্ষার্থীদের অভিমত তুলে ধরা হলোঃ 

ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী এনজেল চাকমা বলনেঃ 

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ৩০ বছরে পা দিয়েছে বিষয়টি ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমার কাছে খুবই আনন্দের। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগন এবং কর্তৃপক্ষ একজন শিক্ষার্থীকে তার লক্ষ্য এবং স্বপ্ন পূরনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষক তাদের সর্বোচ্চ মেধা এবং চেষ্টা দ্বারা একজন শিক্ষার্থীকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে বিনয়, ভদ্রতা, বিষয় ভিত্তিক দক্ষতা শেখাতে এবং জ্ঞান অর্জন করে সারা পৃথিবীতে সেবার জন্য ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে নানারকম সুবিধাও যেমন রয়েছে তেমনি কিছু অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয় শিক্ষার্থীদের যা কর্তপক্ষকে বলবো দ্রুত সমাধান করে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার।

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাস হচ্ছে দেশের মধ্যে অন্যতম একটি পরিপাটি এবং সুন্দর ক্যাম্পাস। আগামী দিন গুলোতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টি হবে পৃথিবীর সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি এই আশা ব্যক্ত করছি। শুভ জন্মদিন ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। শুভকামনা সবসময় প্রিয় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী, মোঃ শামিম মাতুব্বর বলেনঃ  

একটি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয় হাজার হাজার শিক্ষার্থীর  বছরের পর বছর পুষে রাখা স্বপ্ন পুরনের আশ্রয়স্তল। দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ার, দেশের ইতিহাস- ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। দেখতে দেখতে ঢাকা ইন্টারন্যশনাল ইউনিভার্সিটি ৩০ বছরে পা দিয়েছে। তিন দশকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি বেশ শুনামের সাথেই এগিয়ে যাচ্ছে দেশের শিক্ষাঙ্গনে। প্রতিষ্ঠাকাল থেকে এই পর্যন্ত ১২ টি ডিপার্টমেন্ট নিয়ে হাজারো শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে যাচ্ছে বেশ শুনামের সাথে এর মধ্যে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট অন্যতম। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে দেশ বিদেশের আবাসন ও যোগাযোগের অবকাঠামোগত উন্নয়নে অবদান রেখে যাচ্ছে এই ডিপার্টমেন্ট এর শিক্ষার্থীরা।

তবে আমরা যদি আরো দক্ষ  ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষকমণ্ডলী, শিক্ষার মান উন্নয়ন,  আধুনিক ক্লাস ও ল্যাব এবং গবেষণার দিকে নজর দিতে পারি তাহলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি দেশের গন্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বে তাহাঁর সুনাম ছড়িয়ে পড়বে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রত্যাশা পূরনে এগিয়ে যাবে প্রিয় প্রতিষ্ঠান ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ৩০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি

ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী, সারমিন আক্তার ইতি বলেনঃ   

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ), প্রতিষ্ঠার পর তিন দশক অতিক্রম করে আজ দেশের অন্যতম প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে, যা প্রতি বছর প্রায় নয় হাজার শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ স্বপ্ন পূরণে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। এই দীর্ঘ যাত্রায়, বিশ্ববিদ্যালয়টি ১২টি বিভাগে হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে জ্ঞান দান করে দেশের গৃহনির্মাণ ও যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে, এমনকি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। শিক্ষার গুণগত মান, আধুনিক শ্রেণিকক্ষ ও ল্যাব এবং গবেষণার ওপর যথাযথ গুরুত্ব দিলে, অদূর ভবিষ্যতে ডিআইইউর সুনাম ও পরিধি দেশব্যাপী আরও বিস্তৃত হবে এবং এটি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবে।

ক্যাম্পাসের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান হলো ইংরেজি বিভাগ, যা ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিশেলে নবনির্মিত একটি ভবনে অবস্থিত। আরামদায়ক পাঠকক্ষ, সাহিত্য ক্লাসিকসে পরিপূর্ণ বুকশেলফ এবং সৃজনশীলতায় পূর্ণ এক প্রাণবন্ত পরিবেশে এই বিভাগ সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা ও শিল্পসাহিত্যের চর্চার এক উর্বর কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এখানে শিক্ষার্থীরা সাহিত্যের গভীরতায় নিমগ্ন হয়, সংস্কৃতি ও ভাষা নিয়ে বিস্তৃত পরিসরে অধ্যয়ন করে, যেখানে শেক্সপিয়র থেকে ঔপনিবেশিক সাহিত্য পর্যন্ত সবকিছু অন্তর্ভুক্ত। শিক্ষকেরা কেবল জ্ঞানদানকারী নন, বরং তারা শিক্ষার্থীদের জীবন্ত আলোচনা ও গবেষণায় উৎসাহিত করেন। নিয়মিত কবিতা পাঠ, সাহিত্য উৎসব ও লেখালেখির কর্মশালা এই বিভাগের প্রাণবন্ত বুদ্ধিবৃত্তিক পরিমণ্ডলকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে। ক্যাম্পাসের শান্ত দুপুরে হোক বা জ্ঞানগর্ভ সেমিনারে অংশগ্রহণ, ইংরেজি বিভাগটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উৎকর্ষ ও সামাজিক সংহতির এক উজ্জ্বল প্রতীক হিসেবে স্বমহিমায় বিরাজমান।

ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থী, জুবায়ের আশা বলেনঃ 

প্রতিষ্ঠার পর তিন দশক ধরে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বিদ্যাপীঠ হিসেবে নিজেদের সুদৃঢ় অবস্থান তৈরি করেছে। এই দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ যাত্রায়, বিশ্ববিদ্যালয়টি কেবল শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নই করেনি, বরং দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতেও রেখেছে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান। বর্তমানে, ডিআইইউর গ্র্যাজুয়েটরা দেশ এবং বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছেন, এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকবৃন্দ তাদের জ্ঞান ও প্রজ্ঞা বিতরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মোচন করছেন সম্ভাবনার নবদিগন্ত।একটি আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয় কেমন হওয়া উচিত, এই প্রশ্নের উত্তরে ডিআইইউ সর্বদা শিক্ষার উৎকর্ষকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। এখানে গতানুগতিক পাঠ্যক্রমভিত্তিক শিক্ষাদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানবিক মূল্যবোধ, সৃজনশীল চিন্তাভাবনা, নেতৃত্বদানের যোগ্যতা এবং সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধের মতো অপরিহার্য গুণাবলী বিকাশেও গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

ডিআইইউ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব কেবল জ্ঞান বিতরণে সীমাবদ্ধ নয়, বরং শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠনেও সহায়ক হওয়া অত্যাবশ্যক, এবং এই কাজটি প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত সুনাম ও সাফল্যের সাথে করে চলেছে। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, গভীর দায়বদ্ধতা এবং পেশাদারিত্ব শিক্ষার্থীদের জীবনে দিকনির্দেশনার এক অমূল্য আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করে। এই দীর্ঘ পথপরিক্রমায় কিছু চ্যালেঞ্জ এলেও, বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্রিয় পদক্ষেপ ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় সেসব প্রতিকূলতা সফলভাবে মোকাবেলা করা সম্ভব হয়েছে। সময়ের চাহিদা পূরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগ-সুবিধা, মনোরম ক্যাম্পাস, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ সর্বদা যুগোপযোগী করা হচ্ছে। এখন ডিআইইউর প্রধান লক্ষ্য শিক্ষার মান আরও উন্নত করা, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা এবং দেশ ও জাতির সেবায় তাদের প্রস্তুত করা।

যদি ডিআইইউ তার বর্তমান সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে পারে, তবে তা নিঃসন্দেহে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। ত্রিশ বছর পূর্তি উপলক্ষে, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। আমাদের প্রত্যাশা, ডিআইইউ ভবিষ্যতে আরও উজ্জ্বল সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাবে এবং দেশ ও জাতির জন্য আরও আলোকিত ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তৈরি করবে। ডিআইইউর সকল সদস্যদের জন্য রইল শুভকামনা।

সর্বশেষ - শিক্ষা

আপনার জন্য নির্বাচিত

গত ১ বছর ধরে সংস্কারের দাবানল চলছে: অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী

আগামীকাল খানসামায় আসছেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

ইবির ট্যুরিজম বিভাগে অসুস্থ ও মৃত্যুদের স্মরণে দোয়া মাহফিল

হোসেনপুরে ইশা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য কিছু জরুরি টিপস

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর পদে ছয়মাসে তিনবার রদবদল

হোসেনপুরে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

ঈদে বাড়ি ফিরতে না পারা মাভাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা

আওয়ামী লীগের দোসরের কাছ থেকে দেড় যুগ পর জমি ফিরে পেল প্রকৃত মালিক

পাঁচবিবিতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ছেলের মৃত্যু, মা দগ্ধ