শনিবার, 14 জুন 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

ইসরায়েল-ইরান সংঘাতে ট্রাম্পের আচরণে নাটকীয় পরিবর্তন

প্রতিবেদক
স্টাফ রিপোর্টার
শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫ - ২:০৩ অপরাহ্ন

ইরানের ওপর ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে নাটকীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। প্রথমে সংঘাত এড়াতে আহ্বান জানালেও পরে তিনি হামলাকে ‘চমৎকার’ বলে মন্তব্য করেন। ট্রাম্পের এই বিপরীতমুখী অবস্থান রিপাবলিকান পার্টির অভ্যন্তরে বিদ্যমান মতপার্থক্য ও রাজনৈতিক টানাপোড়েনকে সামনে নিয়ে এসেছে। খবর আল-জাজিরার।

হামলার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি চান না ইসরায়েল এই সংঘাতে জড়িয়ে পড়ুক। তার মতে, এতে ইরানের সঙ্গে চলমান পারমাণবিক আলোচনা বাধাগ্রস্ত হবে এবং কূটনৈতিক পথ রুদ্ধ হয়ে যাবে।

কিন্তু হামলার পরপরই ট্রাম্প তার আগের অবস্থান থেকে সরে এসে উল্টো প্রশংসা করেন ইসরায়েলের পদক্ষেপের। তিনি হামলাকে ‘চমৎকার’ আখ্যা দিয়ে ইরানকেই দোষারোপ করেন। তার দাবি, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত চুক্তি প্রত্যাখ্যান করায় এই হামলা হয়েছে।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ট্রাম্প আরও সতর্কবার্তা দেন— তিনি জানান, সামনে আরও হামলা আসছে এবং তা হবে ‘আরও নৃশংস’। একইসঙ্গে তিনি বলেন, এখনই সময় ইরানকে আবারো চুক্তিতে ফিরে আসার।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প বর্তমানে দুটি বিপরীতমুখী চাপের মধ্যে রয়েছেন। একদিকে তার শান্তিপ্রিয় সমর্থকরা তাকে কূটনৈতিক রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দেখতে চান, অন্যদিকে রিপাবলিকান পার্টির যুদ্ধপন্থীরা ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণে তাকে উৎসাহিত করছে। আশ্চর্যের বিষয়, ট্রাম্প নিজেও মাঝে মাঝে সামরিক হুমকি দিয়ে বসছেন।

তার এই আচরণে প্রশ্ন উঠেছে— ট্রাম্প আসলে কোন পথ ধরেছেন? কূটনীতি না সামরিকতা? বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের বক্তব্যে নিরবচ্ছিন্নতা নেই, বরং তা পরিস্থিতি ও মুহূর্তের ওপর নির্ভর করছে। এই দোদুল্যমান অবস্থান মধ্যপ্রাচ্য ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নীতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলছে।

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ