রবিবার, 15 জুন 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

কারিশমা দেখাচ্ছে ইরান, ক্ষেপণাস্ত্র “কাসেম বাসির” আতঙ্কে আমেরিকা-ইসরায়েল

প্রতিবেদক
স্টাফ রিপোর্টার
রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫ - ১:৩২ পূর্বাহ্ন

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার আবহে ইরানের সামরিক সক্ষমতা বিশ্বব্যাপী নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে ইরানের নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘কাসেম বাসির’ এর ক্ষমতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

গত মে মাসে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অত্যাধুনিক এই ক্ষেপণাস্ত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করে। কঠিন জ্বালানিচালিত এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা প্রায় ২০০ কিলোমিটার। সবচেয়ে বড় কথা, ইলেকট্রনিক হস্তক্ষেপ বা জ্যামিং সত্ত্বেও এই ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুর উপর অত্যন্ত সুনির্দিষ্টভাবে আঘাত হানতে সক্ষম।

সাম্প্রতিক এক পরীক্ষায় প্রাকৃতিক পরিবেশে এই ক্ষেপণাস্ত্রের কার্যকারিতা তুলে ধরেছে ইরানি টিভি। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, তীব্র হস্তক্ষেপের মধ্যেও ক্ষেপণাস্ত্রটি নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানে। অনেক পর্যবেক্ষক মনে করছেন, এটি ইসরায়েলের অত্যাধুনিক ‘আয়রন ডোম’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভেদ করতে সক্ষম।

যুক্তরাষ্ট্রের থাড এবং প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকেও অতিক্রম করার মতো ক্ষমতা রয়েছে কাসেম বাসিরের। ফলে ওয়াশিংটন এবং তেলআবিব—উভয়েই এই নতুন হুমকি নিয়ে বাড়তি সতর্কতায় রয়েছে।

এই ক্ষেপণাস্ত্রের ভিত্তি তৈরি হয়েছে ‘হাজ কাসেম’ নামক ক্ষেপণাস্ত্র থেকে, যা ইরানি কুদস ফোর্সের প্রয়াত কমান্ডার কাসেম সোলাইমানির নামে নামকরণ করা হয়। হাজ কাসেমের পাল্লা প্রায় ১ হাজার ৪০০ কিলোমিটার, এবং এটি ঘণ্টায় ম্যাক ১১ গতিতে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে ম্যাক ৫ গতিতে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে—যা এটিকে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের কাতারে ফেলে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের এই উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র কৌশল শুধু ইসরায়েল নয়, বরং গোটা মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক ভারসাম্য পাল্টে দিতে পারে। একদিকে যখন ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে দ্বিতীয় থাড ব্যাটারি সংগ্রহ করছে, অন্যদিকে ইরান আরও নিখুঁত ও কার্যকর আক্রমণ ক্ষমতা অর্জন করছে।

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে কাসেম বাসিরের এই সামরিক অবস্থান নতুন করে চিন্তার খোরাক যোগাচ্ছে সামরিক বিশেষজ্ঞদের। প্রশ্ন উঠছে—এই প্রতিযোগিতা কি সরাসরি যুদ্ধের রূপ নেবে? না কি চলবে শক্তি প্রদর্শনের লড়াই?

সর্বশেষ - শিক্ষা

আপনার জন্য নির্বাচিত