বৃহস্পতিবার, 19 জুন 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

আমরা আত্মসমর্পণ করি না: ইরান হয়ে উঠছে আরব মর্যাদার প্রতীক

প্রতিবেদক
স্টাফ রিপোর্টার
বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫ - ১১:৩১ অপরাহ্ন

১৯৬৭ সালের ছয় দিনের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ ছিল আরব বিশ্বের জন্য এক গভীর কলঙ্কের অধ্যায়। মাত্র ছয় দিনেই মিশর, সিরিয়া ও জর্ডান সামরিকভাবে বিধ্বস্ত হয়, এবং ইসরায়েল দখল করে নেয় বিশাল ভূখণ্ড—গাজা, পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম, সিনাই ও গোলান মালভূমি। সেই ক্ষত আজও আরব রাজনীতির আত্মসম্মানে বয়ে বেড়ায় এক বেদনাবিধুর ছাপ।

৫৮ বছর পর, ২০২৫ সালের জুনে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ যেন সেই ইতিহাসেরই এক প্রতিধ্বনি হয়ে উঠেছে। একসময় শাহ আমলের ইরান ছিল পশ্চিমাপন্থী ও ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র। কিন্তু ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর ইরান বদলে যায়। এখন ইরান নিজেকে ঘোষণা করেছে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রথম সারির শক্তি হিসেবে—যেখানে ফিলিস্তিন শুধু নয়, গোটা মুসলিম বিশ্বের আত্মমর্যাদা ও অধিকার রক্ষার লড়াইয়ের প্রতীক।

১৩ জুন মধ্যরাতে ইসরায়েল ইরানের ভেতরে গোপন সামরিক হামলা চালিয়ে একাধিক বিজ্ঞানীকে হত্যা করে। বিশ্লেষকদের অনেকেই তখন বলেছিলেন, এটা ৬৭’র যুদ্ধের পুনরাবৃত্তি—সারপ্রাইজ অ্যাটাক, আধিপত্য ও দ্রুত পরাজয়ের কৌশল। কিন্তু বাস্তবতা প্রমাণ করেছে ভিন্ন কিছু।

যুদ্ধের সপ্তম দিনেও ইরান শুধু টিকে আছে তা নয়, পাল্টা আঘাতে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে হাইফা, তেলআবিবসহ বিভিন্ন শহরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এমনকি ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটি ও পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর কাছাকাছিও আঘাত হেনেছে। ১৯৬৭ সালের আরব দেশগুলোর মতো ইরান পিছিয়ে যায়নি, বরং এককভাবে লড়াই করে যাচ্ছে বিশ্বের অন্যতম সামরিক শক্তির বিরুদ্ধে।

এই প্রেক্ষাপটে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বলেন,
“ইরান আত্মসমর্পণের জাতি নয়। আমরা মাথা উঁচু করে লড়াই করব।”

এই ঘোষণাটি কেবল তেহরানের নয়, বরং বহু আরব দেশের অতীত অপমান, পরাজয় ও মেরুদণ্ডভাঙা ইতিহাসের বিপরীতে এক গর্বিত উচ্চারণ হয়ে উঠেছে। এক সময় যেসব আরব রাষ্ট্র একসঙ্গে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েও পরাজিত হয়েছিল, তাদের ‘ঐতিহাসিক অসমাপ্ততা’ যেন আজ ইরানের কাঁধে এসে ঠেকেছে।

ইরান হয়তো এককভাবে এই যুদ্ধ জিতবে না। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও গোয়েন্দা শক্তির বিরুদ্ধে তারা এখনও পিছিয়ে। কিন্তু এই প্রতিরোধে যে মনোবল, ঐতিহাসিক প্রতিশোধ ও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা ইতোমধ্যেই অনেক আরব দেশের হারানো আত্মবিশ্বাসকে জাগিয়ে তুলেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই যুদ্ধ কেবল গোলা-বারুদের নয়—এটি মর্যাদা, মনোবল ও ইতিহাসের যুদ্ধ।
আর এই যুদ্ধেই ইরান হয়ে উঠছে বহু আরব জাতির জন্য এক প্রতীক—প্রতিরোধের প্রতীক, মর্যাদার প্রতীক।

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ

আপনার জন্য নির্বাচিত

রফিনগরে ভাষা দিবস পালনে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপস্থিতি, উপেক্ষার কারণ কী?

রমজান ও পবিত্র ঈদ নির্বিঘ্ন করতে কঠোর অবস্থানে যশোর পুলিশ

মোহনপুরে দেশী অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৪ জন

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী আহত, ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ

মাভাবিপ্রবিতে ‘পর্দা কর্ণার’ স্থাপনের দাবি, প্রশাসনের দৃষ্টিপাত চান নারী শিক্ষার্থীরা

নৈতিক উৎকর্ষ সাধনে রোজার ভূমিকা অপরিসীম: নুরুজ্জামান লিটন

পাবিপ্রবির বিজনেস ক্লাবের সেমিনার আয়োজন

মেধাসম্পদ সুরক্ষায় ইউজিসির উদ্যোগ

যবিপ্রবি কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

নড়াইলে পুলিশের অভিযানে দুই ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জন গ্রেফতার