মঙ্গলবার, 7 জানুয়ারি 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

নাগেশ্বরীর এগারো মাথায় গড়ে উঠেছে অবৈধ ইট ভাটা জনতা ব্রিকস: প্রশাসনের নীরব ভূমিকা,জনমনে নানাবিধ প্রশ্ন

প্রতিবেদক
জাহিদ খান কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি ২০২৫ - ৩:৪৯ অপরাহ্ন

কুড়িগ্রাম জেলার এগারো মাথা এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে জনতা ব্রিকস নামের একটি ইটভাটা। বাজার, লোকালয়, এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঠিক মাঝখানে গড়ে ওঠা এই ইটভাটাটি কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন ছাড়াই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আশেপাশের এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই ইটভাটা তাদের জীবনে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে, কিন্তু প্রশাসন রয়েছে নীরব ভুমিকা।

ইটভাটার কালো ধোঁয়ার কারণে আশেপাশের এলাকায় বায়ু দূষণ মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছেছে। স্থানীয়দের মতে, বাচ্চারা শ্বাসকষ্ট ও চোখের জ্বালায় ভুগছে। এছাড়া ফসলি জমির ওপরেও এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়েছে। ভাটার কারণে ধুলা ও কালো ধোঁয়া পরিবেশকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে, যা আশপাশের বাজার এবং স্কুলে শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন কার্যক্রমকেও ব্যাহত করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভাটার বিরুদ্ধে কিছু বলা বা অভিযোগ করার সক্ষমতা তাদের নেই।কারণ বিগত সরকারের প্রভাবশালী নেতার জামাতা ভাটাটির মালিক।ক্ষমতার বলয়ে অবৈধ ভাবেই গড়ে উঠেছে ইট ভাটাটি।নেই পরিবেশগত সনদ কিংবা সরকারের অনুমোদন।প্রাসাসন কে বিভিন্ন সময় এ বিষয়ে অবগত করা হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সামান্য অর্থনৈতিক জরিমানা করা ছাড়া কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রশাসনের নীরব ভূমিকা এই অবৈধ কার্যক্রমকে আরও উত্সাহিত করছে।

পরিবেশবিদদের মতে, লোকালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছাকাছি ইটভাটা চালানো সম্পূর্ণ বেআইনি। তারা বলছেন, এই ইটভাটাটি অবিলম্বে বন্ধ করা না হলে দীর্ঘমেয়াদে স্থানীয় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী দ্রুত এই অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছে। তারা বলছে, স্থানীয় প্রশাসন যদি যথাযথ পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবে।

পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে এটি প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সাথে কথা বললে রেজাউল করিম জানান ইট ভাটাটির পরিবেশগত ছাড়পত্র নেই।যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার অধিকার তার একক নয়।জেলা প্রশাসন কতৃপক্ষ নির্দেশনা প্রদান করলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

অবৈধ ইট ভাটা সম্পর্কে জনতা ব্রিকস এর মালিক মো: মতিয়ার রহমান কে মুঠোফোনে তার বক্তব্য জানতে চাইলে, তিনি জানান- কোথাও বৈধ ভাটা নেই।সবাই চালাচ্ছে,তাই আমিও চালাই।

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ

আপনার জন্য নির্বাচিত