বুধবার, 16 জুলাই 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

পটুয়াখালীর প্রান্ত থেকে জাতীয় পর্যায়ে পবিপ্রবি: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গর্বিত অংশীদার

প্রতিবেদক
স্টাফ রিপোর্টার
বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫ - ১:৩০ অপরাহ্ন

জুলাই গণঅভ্যুত্থান শুধু রাজধানী ঢাকা নয়, দেশের প্রান্তিক ক্যাম্পাসগুলোতেও সাড়া ফেলেছিল। সেই উত্তাল সময়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (পবিপ্রবিসাস) নিজেদের অবস্থান থেকে রেখেছিল সাহসী এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির সদ্য সাবেক সভাপতি নুর মোহাম্মদ শাহীন এক পোস্টে লেখেন, “পটুয়াখালীর প্রান্ত থেকে জাতীয় পর্যায়ে আলোচিত হয়েছিল পবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির কর্মকাণ্ড।”

তিনি জানান, সত্য প্রকাশে আপোষহীন এ সংগঠনটি বহু আগেই সাধারণ শিক্ষার্থীদের আস্থার জায়গা হয়ে উঠেছে। তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় পবিপ্রবিসাসের দুটি ন্যারেটিভ জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোড়ন তোলে।

প্রথমটি ছিল—“নিজেকে কুলাঙ্গার বললেন ছাত্রলীগ নেতা”।
১৫ জুলাই, ঢাবিতে ছাত্রলীগের তাণ্ডবের পর কেরামত আলী হল শাখা ছাত্রলীগ নেতা রাকিবুল ইসলামের ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে “নিজেকে কুলাঙ্গার বললেন পবিপ্রবি ছাত্রলীগ নেতা” শিরোনামে একটি ন্যারেটিভ ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়। এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে, ঐ রাতেই শত শত ছাত্রলীগ নেতা পদত্যাগ করেন।

দ্বিতীয়টি ছিল—“৫ হাজার মানুষ যদি মারা লাগে, সরকার চিন্তা করবে না।”
১ আগস্ট শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার প্রেক্ষাপটে তৎকালীন প্রক্টরের মন্তব্যকে ঘিরে একটি রিপোর্ট দেশের প্রায় সব জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। “৫ হাজার মানুষ যদি মারা লাগে, সরকার চিন্তা করবে না”— এ সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর সারাদেশের বিপ্লবীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। আন্দোলন পায় ভিন্ন এক গতি।

শিরোনামটি এখনও মানুষের মনে দাগ কেটে আছে। ক’দিন আগেও টকশোতে এক নেতা বলেন, “জুলাইতে ৫ হাজার মানুষ মারা গেলেও সরকার তা জায়েজ মনে করত।”

নুর মোহাম্মদ শাহীন আক্ষেপ করে বলেন, “জীবনের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও জুলাইতে এমন দুঃসাহসিক সংবাদ প্রকাশ করেছে আমাদের ক্যাম্পাসের ছেলেরা। অথচ আমাদের বর্তমান প্রশাসন জুলাইয়ের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে চেয়ার অর্জন করলো। তারা কি পারত না এই গুরুত্বপূর্ণ স্টেক এবং সাহসিকতার জন্য সংগঠনটিকে কোনো পুরস্কারে ভূষিত করতে?”

তিনি প্রশ্ন তোলেন, প্রশাসন কি সত্যিই জুলাই আন্দোলনের মর্ম উপলব্ধি করে, নাকি সুকৌশলে এড়িয়ে যেতে চায় সেই আন্দোলনের প্রকৃত স্টেকহোল্ডারদের?

তবে প্রশাসন স্বীকৃতি দিক বা না দিক, পবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতিকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা নিজেদের গর্ব হিসেবেই দেখছেন। শাহীন বলেন, “পবিপ্রবির বুকে যারা আবার স্বৈরাচার হয়ে উঠতে চাইবা, মনে রেখো, তোমাদের টুঁটি চেপে ধরার জন্য আমাদের সাংবাদিক সমিতি আছে।”

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ

আপনার জন্য নির্বাচিত

ইরানে হামলা চালিয়েছেন ট্রাম্প, ৩ পারমাণবিক স্থাপনায় বিস্ফোরণ

গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে নোবিপ্রবি উপাচার্যের মতবিনিময় সভা

হোসেনপুরে ইশা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

বুটেক্সে ফরম পূরণে ভোগান্তি, নেই প্রশাসনের সদিচ্ছা

ইবির বাংলা বিভাগের নতুন সভাপতি অধ্যাপক মনজুর রহমান

পটুয়াখালী জেলা রোভারের ১৫তম ত্রৈবার্ষিক সভা

যবিপ্রবিতে ইসলামিক কালচারাল সোসাইটির সীরাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

জাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির নেতৃত্বে মিরাজ, বেলাল, ইয়াসির

জুলাই বিপ্লবের গৌরবময় ইতিহাসের স্মারক বাকৃবির ডেস্ক ক্যালেন্ডার

যশোর সাংবাদিক আশিকুর রহমান শিমুলের পিতার জানাজার সম্পন্ন