সোমবার, 6 জানুয়ারি 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

৭ বছরেও কাজ সম্পন্ন হয়নি ময়মনসিংহ স্টিল রাইস সাইলো

প্রতিবেদক
shafiel alam sumon
সোমবার, ৬ জানুয়ারি ২০২৫ - ১:১১ পূর্বাহ্ন

২০১৮ সালের কাজ শুরু হলেও  আজ অবধি কাজ সম্পন্ন হয়নি ময়মনসিংহ সিএসডি ক্যাম্পাসে অবস্থিত ময়মনসিংহ স্টিল রাইস সাইলো আধুনিক খাদ্য খাদ্য সংরক্ষণাগার নির্মান প্রকল্প এর আওতায়  ৪৮ হাজার মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন স্টিল রাইস সাইলোর নির্মাণ ব্যায় ২০৭ কোটি টাকা   নানা জটিলতা কয়েক দফা সময় বাড়িয়েও শেষ হচ্ছে না স্টিল রাইস সাইলো প্রকল্প টির বাস্তবায়ন করছে দেশীয়  ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দেশের খাদ্য পর্যাপ্ত মজবুত করতে দেশের কয়েকটি স্থানে প্রায় ৩৬০০ কোটি (৩৫,৬৪৯ কোটি লাখ) টাকা ব্যয়ে ৮টি আধুনিক স্টিল রাইস সাইলো নির্মাণের উদ্যোগ নেয় খাদ্য মন্ত্রণালয়। প্রকল্পের অবকাঠামো নির্মাণে দেশীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশনের সঙ্গে ২০১৮ সালের এপ্রিল চুক্তি করে খাদ্য মন্ত্রণালয়। একই বছর প্রকল্পের নির্মাণ কাজও শুরু হয় এবং ২০২১ সনের এপ্রিলের মধ্যে হস্তান্তরের কথা ছিল। কিন্ত করোনা মহামারি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের টানাপোড়েন সরকারের পট পরিবর্তনসহ নানান জটিলতার কারণে প্রকল্পের মেয়াদ দফা বৃদ্ধি করা হয়। সর্বশেষ মেয়াদে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা থাকলেও ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত কাজ হয়েছে মাত্র শতকরা ৮৫ ভাগ। তবে ময়মনসিংহে সাইলো টি সম্পন্ন হয়েছে বলে একাধিক সূত্র থেকে জানাগেছে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশে খাদ্য সংরক্ষণে যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা হবে। তবে তি কারণে ময়মনসিংহের সাইলোটি চালু হচ্ছে না এর জবাবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন সাইলো নির্মানে প্রথম থেকে সময় ক্ষেপণ করা হয়েছে কয়েক দফা সময় বাড়ানো হয়েছে প্রকল্পের আওতায় দেশের স্থানে সাইলো নির্মান করছে তমা কনস্ট্রাশন নাশে একটি দেশীয় প্রতিষ্টান অনেক স্থানে কাজ সম্পন্ন করতে পারেন নি প্রতিষ্টান টি যা একসঙ্গে করার কথা ছিল তবে ময়মনসিংহের প্রকল্পটির কাজ শেষ করা হয়েছে বলে দাবি তমা কনসট্রাশনের

উল্লেখ্য, আধুনিক এই রাইস সাইলোর বৈশিষ্ট হলোএটি ৩০টি স্টিল সাইলো বিনে গঠিত। প্রতিটি বিনের ধারণ ক্ষমতা ৩৫ হাজার টন। এতে কীটনাশক ছাড়া স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের মাধ্যমে চালের আর্দ্রতা তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং চালের গুণগত মান বজায় রেখে বছর চাল সংরক্ষণ সম্ভব হবে। চাল প্যাকেট বস্তাাবন্দি করতে এতে রয়েছে ৫০০ টন স্পিডের বেল্ট কনভেয়িং চেইন কনভেয়িং সিস্টেম যা প্রতি ঘণ্টায় স্বয়ংক্রিয় মেশিনে ৫০ কেজির ৮০০ এবং কেজির ৯৬০০ প্যাকেট তৈরি করতে সক্ষম। নদীপথে চাল পরিবহনে ঘণ্টায় ১২০ টন স্পিডে লোডিং কার্যক্রম সম্ভব হবে। প্রকল্পের আওতায় চাল রক্ষণের পাশাপাশি এখনে নির্মিত হচ্ছে অফিস স্টাফ ডরমেটরি বিল্ডিং, অফিসার্স ডরমেটরি, ইন্সপেকশন বাংলো, আনসার ব্যারাক, এমটি গানী বেগ গোডাউন, স্ক্রেপ গোডাউন, ওয়ার্কসপ কাম স্টোর, বৈদুতিক সাবস্টেশন, ট্রাক পার্কিং এরিয়া অভ্যন্তরীণ সড়ক ইত্যাদি।আগামী বছরের জুনে প্রকল্পের কাজ শেষ করে অপারেশনাল কাজ শুরু হবে। এই সাইলোতে আধুনিক পদ্ধতিতে খাদ্য শস্য সংরক্ষণ করা হবে এবং নাইট্রোজনের মাধ্যমে খাদ্যশস্যর মান বজায় রাখা হবে। সাধারণ গুদাম গুলোতে ছয় মাস খাদ্যশস্য সংরক্ষণ রাখা গেলেও আধুনিক পদ্ধতিতে তিন বছর পর্যš সংরক্ষণ করা যাবে।

তবে বিষয়ে খাকডহরের  সাইলো অধিক্ষক ফয়জুল্লাহ খান শিবলী জানান সাইলো টি তে চাল সংগ্রহ করে পরীক্ষা নীরাক্ষা চলছে চালের মান ঠিক থাকে কিনা পরীক্ষামূলক সম্পন্ন হলে কৃষকদের কাছ থেকে চাল সংগ্রহ করা হবে

 

 

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ

আপনার জন্য নির্বাচিত