মঙ্গলবার, 17 ডিসেম্বর 2024 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

বুটেক্সে ফরম পূরণে ভোগান্তি, নেই প্রশাসনের সদিচ্ছা

প্রতিবেদক
মোঃ তাওকীর তাজাম্মুল, বুটেক্স প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪ - ৬:৪১ অপরাহ্ন

সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার ফরম পূরণের কথা মনে হলেই ভোগান্তির চিত্র ভেসে ওঠে। যেখানে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় কাজ চলছে, সেখানে বুটেক্সে ফরম পূরণে এখনো প্রাচীন আমলের পদ্ধতি চালু রয়েছে। প্রশাসনকে অনলাইনে ফরম পূরণের ব্যবস্থার জন্য একাধিকবার জানানোর পরও আশার আলো দেখেনি শিক্ষার্থীরা। এমনটাই অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, ফরম পূরণের জন্য প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অনলাইনে ফরম সংগ্রহ করতে হয়। এরপর সেই ফরম প্রিন্ট করে, ম্যানুয়ালি ফিলাপ করতে হয়। তারপর ফরমের সাথে যুক্ত করতে হয় লাইব্রেরি ক্লিয়ারেন্স এবং হল সংযুক্তি। আর এই লাইব্রেরি ক্লিয়ারেন্স নিতে ভোগান্তির শেষ নাই, দীর্ঘ লাইন ধরে সংগ্রহ করতে হয়। অন্যদিকে যারা অনাবাসিক শিক্ষার্থী তাদেরকে তিনটি হল ঘুরে ঘুরে হল সংযুক্তি নিতে হয়, যাতে চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছে অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে অনলাইনের নামে ফর্ম ফিলাপের টাকা জমা নিলেও, এটার রশিদ প্রিন্ট করে আবার জমা দিতে হয়। এভাবে জটিল ও সময় সাপেক্ষ প্রক্রিয়ায় প্রতি সেমিস্টার ফাইনালের ফরম পূরণ চলে।

এ বিষয়ে দেশের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে চলছে ফরম পূরণ কার্যক্রম। কিন্তু প্রতিষ্ঠার ১৪ বছর পার করে ফেলা বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো চলছে ভোগান্তিকর অ্যানালগ পদ্ধতি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ফরম ফিলাপের প্রক্রিয়াটা পরীক্ষার থেকেও জটিল। এই দপ্তর থেকে ওই দপ্তর, এই ভবন থেকে ওই ভবনে অহেতুক ছোটাছুটি করার ফলে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় ও শ্রম ব্যয় হয়। এ জন্য সকল শিক্ষার্থীদের দাবি এই প্রক্রিয়াটা যেন সহজ ও শিক্ষার্থীবান্ধব করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, আমরা দ্রুতই অটোমেশন পদ্ধতিতে ঢুকে যাবো। তখন আর এই ভোগান্তি থাকবে না। আশা করা যায়, পরবর্তী সেমিস্টার থেকেই শিক্ষার্থীরা এই সুবিধা পাবে।

বিষয়ে আইসিটি সেলের মো. আসিফুর রহমান বলেন, আমরা সবকিছু অনলাইনে আনার জন্য কাজ করছি। ইতোমধ্যেই কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। আশা করছি, খুব শিগগিরই শিক্ষার্থীরা সবকিছু অনলাইনে করতে পারবে।

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ

আপনার জন্য নির্বাচিত

ইলেকটোরাল কলেজ পদ্ধতিতেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে চান অধিকাংশ দল

পোষ্য কোটা সংস্কারের পক্ষে মত শেকৃবি প্রশাসনের

জেন্ডার ইকুয়ালিটি ট্রান্সফরমস ক্লাইমেট অ্যাকশন প্রকল্পের ইউনিয়ন লোকমোর্চা সভা

আগামীর বাংলাদেশ হবে জুলুম নির্যাতন ও অন্যায় দুর্নীতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ – মাওলানা আবদুল হালিম

ভূরুঙ্গামারীতে অটোরিকশার ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু

ঢাবি-বুয়েটকে পেছনে ফেলে ওয়েবমেট্রিক্স র‍্যাঙ্কিংয়ে দেশসেরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

আশিয়ানের সদস্য হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

উলিপুরে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে নিখোঁজ দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার

বাইক ছিনিয়ে নিতে বাইক রাইডারকে হত্যা: পিবিআই

রমাদানব্যাপী এস্পায়ার বাংলাদেশের সহায়তা কার্যক্রম