শনিবার, 15 ফেব্রুয়ারি 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

গাইবান্ধার কৃষকদের জন্য গাজর-টমেটো চাষের প্রশিক্ষণ দিলেন বাকৃবি অধ্যাপক

আসিফ ইকবাল, বাকৃবি প্রতিনিধি
আসিফ ইকবাল, বাকৃবি প্রতিনিধি
শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ - ৯:১১ অপরাহ্ন

গাইবান্ধার চরাঞ্চলের কৃষকদের জন্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ড. মো. হারুন অর রশিদ বিভিন্ন রঙের দেশি ও বিদেশি গাজর ও টমেটো চাষাবাদ নিয়ে মাঠ দিবস এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করেছেন।

 

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) তিনি কৃষকদেরকে দেশীয় আবহাওয়ায় বিদেশি গাজর ও টমেটোর ফলন, চাষাবাদ পদ্ধতি এবং এর স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা প্রদান করেন।

 

অধ্যাপক বলেন, দেশে শুধু কমলা রঙয়ের গাজর পাওয়া গেলেও আমরা লাল, সাদা, হলুদ ও বেগুনি রঙয়ের বিভিন্ন বিদেশী জাতের গাজর দেশে চাষের উপযোগী করে তুলেছি। লাল, কমলা, হলুদ ও বেগুনি রঙয়ের হওয়ায় গাজরগুলোতে ভিটামিন এ, অ্যান্থোসায়ানিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

 

উচ্চফলনশীল এসব জাতের গাজর চাষ সম্পর্কে অধ্যাপক ড. হারুন বলেন, ৭০ থেকে ৮০ দিনেই গাজরগুলোর ফলন পাওয়া যায়। দেশীয় গাজরের তুলনায় গাজরের জাত ভেদে হেক্টর প্রতি ফলন বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় আড়াই থেকে তিনগুণ। বিদেশী জাতের এই গাজরগুলো দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন খরা প্রবণ এলাকায় মাঠ পর্যায়ে চাষ করে সফলতা পাওয়া গেছে।

 

চরাঞ্চলে ফলন সম্পর্কে অধ্যাপক বলেন, আমরা যে রঙিন গাজর ও টমেটো বীজ দিয়েছিলাম তা চাষ করে কৃষকেরা অনেক লাভবান হয়েছে এবং কিছু জাতের একেকটি গাজর ও টমেটো প্রায় ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত ওজন হয়েছে।

 

এসময় চরাঞ্চলের কৃষকদের মাঝে প্রায় আড়াই মন উচ্চ পুষ্টিগুণ সম্পন্ন গাজর ও টমেটো বিতরণ করা হয়। ওইসময় গাইবান্ধা সদরের উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ শাহাদৎ হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ আব্দুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

 

গাইবান্ধা সদরের উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ শাহাদৎ হোসেন বলেন, “চরের কৃষকদের জন্য রঙিন গাজর চাষ একটি নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এটি শুধু পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ নয়, বাজারদরও তুলনামূলক ভালো। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) অধ্যাপকদের উদ্যোগে এই প্রশিক্ষণ কৃষকদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক হবে। আমরা আশা করছি, তারা এই নতুন প্রযুক্তি ও চাষ পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে অধিক লাভবান হবেন। কৃষি বিভাগও তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দিতে প্রস্তুত।”

 

কৃষাণী মোসলেমা বেগম বলেন, “রঙিন গাজর চাষের সুযোগ ও লাভ সম্পর্কে জানলাম। এখন পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করব, যদি ভালো ফলন পাই তাহলে বড় পরিসরে করব।”

 

 

কৃষক রুহুল আমিন বলেন, “আগে শুধু সাধারণ গাজর চাষ করতাম, কিন্তু রঙিন গাজরের চাহিদা ও দাম বেশি শুনে আগ্রহী হয়েছি। প্রশিক্ষণ পেয়ে চাষ পদ্ধতি ভালোভাবে বুঝতে পারলাম।”

সর্বশেষ - শিক্ষা

আপনার জন্য নির্বাচিত

সময়োপযোগী কারিকুলামের অভাবে পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা

পাবিপ্রবির রসায়ন বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান রতন কুমার পাল

বাইক ছিনিয়ে নিতে বাইক রাইডারকে হত্যা: পিবিআই

নারায়ণগঞ্জ জেলার কর্মী শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত 

স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা ছাড়া একটি সুন্দর জাতি গড়ে তোলা সম্ভব নয় – যবিপ্রবি কোষাধ্যক্ষ

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে এ্যাম্বুলেন্স প্রদান

৬ দফা দাবি আদায়ে বাকৃবিতে রেলপথ অবরোধ ও স্নারকলিপি প্রদান

ইবিতে আদর্শ সমাজ বিনির্মানে তরুণদের ভাবনা শীর্ষক আলোচনাসভা

বাকৃবির আশরাফুল হক হলে জুলাই বিপ্লব টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী

অধ্যাপক আমান উল্লাহ আনন্দ মোহনে অধ্যক্ষ পদে আসীন থাকেন দাবি ছাত্রছাত্রীদের