সোমবার, 17 ফেব্রুয়ারি 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল: রোগীদের জিম্মি করে টাকা আদায়!

প্রতিবেদক
মোঃ নয়ন মিয়া , সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ - ১২:৫৩ অপরাহ্ন

 

সিলেটের সবচেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার নামে রোগী ও তাদের স্বজনদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। জরুরি বিভাগ থেকে শুরু করে রোগী রিলিজ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে ঘুষ বা অবৈধ ফি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রোগীদের।

রোগীর স্বজনদের অভিযোগ

রোগীর স্বজনরা জানান, হাসপাতালের জরুরি বিভাগে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই ১০ টাকার টিকিট নিতে হয়। তবে ভর্তি করানোর সময় টিকিটের মূল্য ১৫ টাকা লেখা থাকলেও ২০ টাকা নেওয়া হয়। এরপর রোগীকে ওয়ার্ডে নেওয়ার সময় হুইলচেয়ারের জন্য ১০০ টাকা, আর ট্রলির জন্য ২০০ টাকা গুনতে হয়।

একজন রোগীর স্বজন বলেন, “আমার বাবাকে যখন ভর্তি করি, তখন আমাদের কাছ থেকে বারবার টাকা চাওয়া হয়েছে। ডাক্তার, ওয়ার্ডবয়, দারোয়ান সবাইকে টাকা দিতে হয়েছে। না দিলে সেবা পাওয়া যায় না।”

নতুন ফি ছাড়া চিকিৎসা মেলে না!

হাসপাতালে রোগী ভর্তি হওয়ার পরপরই শুরু হয় একের পর এক পরীক্ষা-নিরীক্ষা। প্রাথমিকভাবে চারটি পরীক্ষা এবং একটি স্যালাইন-প্যাকেট কিনতে বলা হয়। রিপোর্ট আসার পর আরেকজন ডাক্তার এসে নতুন কিছু পরীক্ষা লেখেন। এভাবে প্রতিদিন ডাক্তার পরিবর্তন হয়, আর নতুন নতুন পরীক্ষা ও ওষুধের লম্বা তালিকা ধরিয়ে দেওয়া হয়।

পরীক্ষার জন্য রোগীকে নেওয়ার সময় আবারও দিতে হয় টাকা। হুইলচেয়ারে নিয়ে গেলে ১০০ টাকা, ট্রলিতে নিলে ২০০ টাকা দিতে হয় ওয়ার্ডবয়কে। এছাড়া, প্রতিদিন রোগীর স্বজনরা দেখা করতে এলে দারোয়ানকে খুশি করতে হয়।

অপারেশনেও দুর্নীতি

যদি রোগীর অবস্থা গুরুতর হয় এবং অপারেশন লাগে, তাহলে চিকিৎসার খরচ আরও বেড়ে যায়। শুধু অপারেশনের ওষুধই ৬,০০০-৭,০০০ টাকার মধ্যে পড়ে, যা ডাক্তারকে সরাসরি দিতে হয়। রোগীর মৃত্যু হলে টাকা ফেরত পাওয়া যায় না। আর যদি অপারেশন সফল হয়, তাহলে অপারেশন থিয়েটারের বয়, দারোয়ান—সবাইকে খুশি করতে হয়।

রিলিজেও ঘুষ!

রোগী সুস্থ হয়ে উঠলেও দুর্নীতি থামে না। হাসপাতাল থেকে রিলিজ নেওয়ার সময়ও নার্স, দারোয়ান, ওয়ার্ডবয়—সবার জন্য আলাদা টাকা দিতে হয়। অন্যথায়, নানা অজুহাতে বিলম্ব করা হয়।

প্রশাসনের নীরব ভূমিকা

এ নিয়ে রোগীর স্বজনদের মধ্যে ক্ষোভ থাকলেও প্রশাসনের ভূমিকা নীরব। এক রোগীর আত্মীয় বলেন, “আমরা গরিব মানুষ। সরকারি হাসপাতালে আসি কম খরচে চিকিৎসা পাব বলে। কিন্তু এখানে প্রতিটি ধাপে টাকা না দিলে সেবা মেলে না।”

সরকারি হাসপাতালে সাধারণ মানুষ চিকিৎসা নিতে আসে, অথচ সেখানেও এই দুর্নীতি ও অনৈতিক টাকা আদায়ের চক্র তাদের আরও দুর্বল করে তুলছে। প্রশাসন যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেয়, তবে এটি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ

আপনার জন্য নির্বাচিত

ফুলবাড়ী সীমান্তে বিপুল মাদকসহ ইজিবাইক জব্দ, পালালো চোরাকারবারীরা

কুবিতে ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

কোরবানির হাটে গরু সুস্থ না কৃত্রিম মোটা তা চেনার উপায় জানুন

ফিলিস্তিনে গণহত্যা ও ভারতের নাগপুরে মুসলিম নিপীড়নের প্রতিবাদে নাগেশ্বরীতে বিক্ষোভ মিছিল

ময়মনসিংহের তারাকন্দা উপজেলার বিএনপির কমিটিকে পকেট কমিটি উল্লেখ করে মানববন্ধন

বেপরোয়া কিশোর গ্যাং

কুড়িগ্রামে ফ্যাসিস্ট সহযোগী অধ্যক্ষ জালাল উদ্দিন গ্রেফতার, এলাকায় স্বস্তি

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য কিছু জরুরি টিপস

ইবিতে বরিশাল বিভাগ ছাত্রকল্যাণ সমিতির নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা

পূর্ণোদ্যমে চলছে ইউনিস্যাব রাজশাহী বিভাগের ১২তম স্বেচ্ছাসেবক সংগ্রহ