সোমবার, 21 এপ্রিল 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

নিজের স্ত্রীর প্রেমিককে ফাঁসাতে বন্ধুকে হত্যা

প্রতিবেদক
ফারহান আলমগীর, স্টাফ রিপোর্টার
সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫ - ১০:৫৭ অপরাহ্ন

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে প্রাণ প্রিয় বন্ধুকে গলা কেটে হত্যা করে স্ত্রীর প্রেমিককে ফাঁসাতে চেয়েছিলেন মোঃ সেলিম হোসেন। ক্লু-লেস এই হত্যা রহস্য উদঘাটন করেন সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সেলিম এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের প্রেম ও প্রতিশোধের গল্প প্রকাশ করেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই তাড়াশ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই ক্লু-লেস এই হত্যা মামলার তদন্তে নামে জেলা পুলিশ।

সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার মোঃ ফারুক হোসেনের সার্বিক দিকনির্দেশনায় তদন্তে নামে একটি চৌকস টিম। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে আসানবাড়ি গ্রামের মৃত সামছুল হোসেনের ছেলে ও রাশেদুল ইসলামের বন্ধু মোঃ সেলিম হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। পরে সোমবার (২১ এপ্রিল) বিকালে তাকে আদালতে হাজির করলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সেলিমের স্ত্রী শেরজা জনৈক আউয়াল নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে পালিয়ে যান, কিন্তু তালাক না হওয়ায় স্ত্রীকে ফিরে পেতে মরিয়া ছিলেন। এই কারণে আউয়ালের প্রতি ক্ষোভ জমতে থাকে সেলিমের। পরে স্ত্রী শেরজার ব্যাগে প্রেমিক আউয়ালের একটি মানিব্যাগ, ছবি, সিমের কাগজ ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি খুঁজে পান তিনি। তখনই পরিকল্পনা করেন, বন্ধুকে হত্যা করে সেই মানিব্যাগ মরদেহের পাশে রেখে দিলে আউয়ালকে ফাঁসানো যাবে এবং স্ত্রীকে ফিরে পাওয়া যাবে।

পরিকল্পনা, পহেলা বৈশাখের আগে সেলিম একটি মেমোরি কার্ড, ঘুমের ওষুধ ও বাংলা মদ সংগ্রহ করেন। ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় রাশিদুলকে মদ খাওয়ার প্রস্তাব দিয়ে ধানক্ষেতে নিয়ে যান। স্পিড বোতলে মিশিয়ে দেন ঘুমের ওষুধ, আর ক্লেমনে রাখেন শুধুই মদ। রাশেদুল অচেতন হলে কোমর থেকে ছুরি বের করে তাকে গলা কেটে হত্যা করেন। পরে ধানক্ষেতেই লাশ ফেলে রেখে বাড়ি ফিরে যান তিনি।

পুলিশ হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি, ঘুমের ওষুধযুক্ত স্পিড বোতল, ক্লেমনের বোতল, মানিব্যাগ, রাশিদুলের মোবাইল ও একটি মেমোরি কার্ড উদ্ধার করেছে।

সিরাজগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ একরামুল হোসাইন বলেন, বন্ধু রাশেদুলকে হত্যা করে স্ত্রীর প্রেমিক আউয়াল এর পরিচয় শনাক্তের কিছু জিনিস লাশের পাশে রাখেন সেলিম। যেনো, সবাই সন্দেহ করে আউয়াল হত্যা করেছে। আউয়াল ফেসেঁ গেলে সে আবার তার স্ত্রীকে ফিরে পেতেন।

নিহত রাশেদুল ইসলাম (৪০) সিরাজগঞ্জের তাড়াশ পৌরসদরের ওয়াপদাবাঁধ এলাকার আব্দুল কাদেরের ছেলে এবং পেশায় একজন পিকআপ চালক। গত শনিবার (১৯ এপ্রিল) বেলা ১২টার দিকে তাড়াশ পৌরসভার আসানবাড়ি এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে তার গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি গত ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ ছিলেন।

 

 

সর্বশেষ - শিক্ষা

আপনার জন্য নির্বাচিত

বিভাগের নাম পরিবর্তনের দাবিতে ইবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি

ক্ষতিকর বালাইনাশকের বিকল্প ব্যবহার নিয়ে বাকৃবি গবেষকদের পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা

পবিপ্রবিতে আউটকাম বেজড কারিকুলাম বিষয়ক প্রশিক্ষণ

কুড়িগ্রামে ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় আ. লীগের দুই নেতা গ্রেফতার

পাঁচবিবিতে আপন‌ চাচাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ভাতিজাদের বিরুদ্ধে

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূজা-অর্চনার মধ্য দিয়ে সরস্বতী পূজা সম্পন্ন

ছাত্রলীগে পদ থাকার সংশ্লিষ্টতায় ছাত্রদলের ৩ নেতা বহিষ্কার, ডিআইইউতেও ১ জনকে অব্যাহতি

কাজীপুরে বিএনপিতে কন্ঠশিল্পী কনকচাঁপাকে নিয়ে শুরু হয়েছে দ্বন্দ্ব

ব্যতিক্রমী আয়োজনে ইবি সিআরসির শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন

জয়পুরহাটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কমিটি নিয়ে দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি