বুধবার, 12 মার্চ 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

নাজমুল ইসলাম শাওনের লেখা হতাশার ছোবল

বুলেটিন বার্তা ডেস্ক:
বুলেটিন বার্তা ডেস্ক:
বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫ - ১২:২৭ অপরাহ্ন

হতাশা এক কঠিন অসুখ। হতাশা, ডিপ্রেশন তিলে তিলে একটি মানুষকে শেষ করে দেয়। বাংলাদেশের ৮০% যুবক হতাশাগ্রস্ত।

হতাশার কারন: বাংলাদেশের যুবকদের ডিপ্রেশনে যাওয়ার অনেক কারন রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-পারিবারিক সমস্যা, পড়াশোনায় খারাপ, অবৈধ ভালোবাসা, আর্থিক অসচ্ছলতা, বিবাহিত জীবন ইত্যাদি। এরকম অনেক কারণ রয়েছে। জীবন নদীর পানির মতো বহমান। জীবন কখনো থেমে থাকে না। জীবন তার আপন গতিতে চলতে থাকে। কখনো কখনো বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হয়।

কিন্তু সেই বাধা কাটিয়ে সামনে চলার নামই জীবন।কিন্তু সেই বাধা কাটিয়ে কতজনই বা সফল হতে পারে। থমকে যায় হাজারো যুবক-যুবতীর জীবন। সামনে আগানো আর তাদের হয় না। আমাদের জীবনে হতাশা নামক অসুখটি ঠিক বিরিয়ানির মধ্যে এলাচির মতো। বিরিয়ানিতে যেমন এলাচি থাকবেই, ঠিক তেমনি আমাদের লাইফেও হতাশা থাকবে। সেই হতাশা কাটিয়ে সামনে আগাতে হবে। এই হতাশা, ডিপ্রেশনের জন্য মাঝপথেই জীবন থমকে যায় অনেকের। আমাদের দেশের পিতা-মাতা,প্রতিবেশী এক্ষেত্রে অনেকটাই দায়ী।তারা তাদের সন্তানের উপর যেকোনো দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়ার আগে ভাবে না, তাদের সন্তান আসলে সেই দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হবে কি না।

পরীক্ষায় খারাপ রেজাল্ট করলে, তারা বলে না “বাবা চিন্তা করো না” সামনে ভালো কিছু হবে। এই সাহসটুকু এখনকার পিতা-মাতা দেয় না। বরং তাদের কৈফিয়ত দিতে হয় কেন পরীক্ষায় রেজাল্ট খারাপ হলো। পরিবারের অনেক চাওয়া পাওয়া থাকে একটি ছেলের কাছে। কিন্তু পরিবার ভাবে না তার ছেলের আয় কত। পরিবারের আবধার মেটাতে না পারলে তার মধ্যে হতাশা দেখা যায়।এ হতাশা প্রতিটা ছেলের হৃদয়ে বসে নিত্য দিনই উঁকি দেয়। এই উঁকি হয়তো কিছু ছেলের লাইফে ইতি টেনে দেয়। তখনি আমাদের বলতে হয় বিধি, আমি আর পারছি না,এই ডিপ্রেশন থেকে আমায় মুক্ত দাও। আমি আর পারছি না। অবশেষেে সকল পিতা-মাতা সহ সকলদের উচিত তার পরিবারের মানুষগুলোকে বোঝা। তারা কি চায়। তাদের মনে কি চলে। তারা আসলেও ডিপ্রেশনে আছে কি না। ডিপ্রেশনে থাকলে কিভাবে তাকে বের করা যায়, তা নিয়ে ভাবা। অবশেষে, সবার লাইফ সুন্দর হোক। এগিয়ে যাক আমাদের বাংলাদেশ। আমরা আর শুনতে চাই না হতাশাগ্রস্ত মৃত্যুর আহাজারি।

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ

আপনার জন্য নির্বাচিত

দিরাইয়ে সাংবাদিকের মোবাইল ফোন ছিনতাই, বিকাশ থেকে ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন

পাঁচবিবির কৃষক ইরি-বোরো চাষে ব্যস্ত

চাপের পাহাড় টপকে ইতিহাসের দোরগোড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্যাটে ঝড় তুললেন মার্করাম

যথাযোগ্য মর্যাদায় রাবিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

পবিপ্রবিতে রিসার্চ ফেস্টিভ্যাল আয়োজনে ব্যানারের ভুলে ব্যানার ছাড়াই অনুষ্ঠান

রাবির পপুলেশন সায়েন্স এন্ড হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে রেজোয়ানুল-টিপু

৩য় এনআইএলএস ন্যাশনাল লিগ্যাল ডিবেট চ্যাম্পিয়নশিপে পবিপ্রবির আইন অনুষদের সাফল্য

ডিনের কাছ থেকে কোনো আশ্বাস না পেয়ে ক্ষুব্ধ বাকৃবির ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং এর শিক্ষার্থীরা

ডিআইইউ শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু ; দুর্ঘটনা,খুন, নাকি অন্যকিছু?

ভুলভাল ইংরেজি বলে ধরা খেলেন ভুয়া চিকিৎসক, থানায় হস্তান্তর