মঙ্গলবার, 15 এপ্রিল 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

বরেন্দ্র অঞ্চলে ছাগল পালন করে সাবলম্বী

বুলেটিন বার্তা
বুলেটিন বার্তা
মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ - ১২:১৩ অপরাহ্ন

মো: গোলাম কিবরিয়া, রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:

বরেন্দ্র অঞ্চলের ছাগলপালন করে অনেকে সাবলম্বী হয়েছে ন। রাজশাহীর গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে, বিশেষ করে প্রান্তিক পরিবারগুলোতে ছাগল পালন উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। এ অঞ্চলের বহু মানুষ বিভিন্ন জাতের ছাগল মোটাতাজা করে তাদের জীবিকা উন্নত করেছে। বরেন্দ্র অঞ্চল ও জেলা জুড়ে ছাগল পালন অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। গরু ও ভেড়া মোটাতাজাকরণের পাশাপাশি অনেক সুবিধাবঞ্চিত পরিবার আয়ের টেকসই উৎস হিসেবে ছাগল পালনের দিকে ঝুঁকছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের তথ্য অনুসারে, জেলায় ছাগল মোটাতাজাকরণ খামারের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে গেছে এবং এ বছর মোট ছাগলের সংখ্যা ৫.২৬ লক্ষে পৌঁছেছে- যা গত বছরের তুলনায় এক লাখ বেশি। বিভিন্ন জাতের ছাগল পালন- বিশেষ করে ব্ল্যাক বেঙ্গল কেবল গ্রামীণ সম্প্রদায়ের মধ্যেই অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতাই নয়, প্রোটিনের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণেও অবদান রাখছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুচিকিৎসা ও প্রাণী বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জালাল সরদার বলেন, অনেক তৃণমূল পরিবার ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন প্রজাতির ছাগল, বিশেষ করে ব্ল্যাক বেঙ্গল পালন করছে। তারা তাদের উদ্যোগে বেশ সফল এবং প্রতি বছর বিপুল মুনাফা অর্জন করছে। ব্ল্যাক বেঙ্গল শীর্ষ পাঁচটি মাংস উৎপাদনকারী জাতের মধ্যে একটি। এর উচ্চ প্রজনন হার, সুস্বাদু মাংস ও চামড়া আন্তর্জাতিক মানের।

তিনি আরও বলেন, এটি দারিদ্র্য বিমোচনের একটি কার্যকর হাতিয়ার। গ্রামবাসীরা এখন খড়, গুড়, তেলের খোসা, ছোলা, সবুজ ঘাস ও গমের ভুসির মতো প্রাকৃতিক খাদ্য ব্যবহার করে ছাগল মোটাতাজা করছে। তারা এখন আর ক্ষতিকারক স্টেরয়েড ট্যাবলেট বা ইনজেকশন ব্যবহার করে না। তিনি এই সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রটি সম্প্রসারণে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যাপক প্রচার, উন্নত প্রজনন পদ্ধতি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ ও আরও প্রদর্শনী খামার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ছাগল পালনের ওপর দক্ষ জনবল ও সচেতনতামূলক কর্মসূচির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। সরকারি চাকরি না পেয়ে, বাগমারা উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের স্নাতক পাশ দম্পতি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী রিমা খাতুন প্রায় সাত বছর আগে তাদের বাড়িতে ছাগল পালন শুরু করেন। তারা এখন তাদের বাড়ির পাশে একটি ছাগল মোটাতাজাকরণ খামার পরিচালনা করছেন।

সোহেল বাসসকে বলেন, ‘এই বছর আমরা প্রায় ২ লাখ টাকায় ৪০টি ছাগল কিনেছি। আমরা ইতোমধ্যেই ১ লাখ ৮০ হাজার টাকায় আটটি ছাগল বিক্রি করেছি ও বাকি ছাগল থেকে প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা লাভ হবে বলে আশা করছি।’ এভাবেই চলছে সফলতার গল্প। অনেকে ছাগল পালন করে নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন।

সর্বশেষ - শিক্ষা

আপনার জন্য নির্বাচিত

প্রজেক্ট সমৃদ্ধি: পুরোনো কাপড়ের নতুন গল্পে বদলাচ্ছে জীবনের অধ্যায়

রায়পুরায় ষষ্ঠ শ্রেণির দুই ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

এবার বাপ্পী – মোমেনের দায়িত্বে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাব 

নড়াইলে বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে যুবকের মৃত্যু 

মেধাবীদের নিয়োগ দিয়ে দৃষ্টান্ত তৈরি করলেন বাকৃবি উপাচার্য

যশোরে কৃষকদল সভাপতিকে গুলি করে হত্যা

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন হোটেলগুলোতে পঁচা খাবারের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু

আল্লাহর রাব্বুল আলামিনের বিধানের ভিত্তিত্বে বাংলাদেশ চাই: জামায়াতের আমির

ববি শরীয়তপুর জেলা ছাত্রকল‍্যাণ পরিষদের নেতৃত্বে নাবেরী-অনামিকা

শরীরের দুর্বলতা কাটাতে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান