বৃহস্পতিবার, 2 জানুয়ারি 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

রাবিতে পুত্র-কন্যা কোটার সুবিধা পাবেন না শিক্ষক-কর্মকর্তার সন্তানরা

মো. রাফাসান আলম, রাবি প্রতিনিধি:
মো. রাফাসান আলম, রাবি প্রতিনিধি:
বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারি ২০২৫ - ৭:৪৬ পূর্বাহ্ন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তিতে পোষ্য কোটার হার পুনর্নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য এক শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে। তবে শিক্ষক-কর্মকর্তার সন্তানরা পোষ্য কোটার সুবিধা পাবেন না।

বুধবার (১ জানুয়ারি) এ তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের প্রশাসক প্রফেসর মো. আখতার হোসেন মজুমদার।

পোষ্য কোটা পুনর্নির্ধারণের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানদের কোটার হার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন কেবল সহায়ক ও সাধারণ কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১% কোটা রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।’

তবে পোষ্য কোটা এক শতাংশ রাখারও পক্ষে নেই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও সমন্বয়করা।

এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাবি সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, “শুধু ১ শতাংশ কোটা নয়, আমরা পোষ্য কোটা ০.১ শতাংশও চাই না। বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো কোটা থাকবে না। প্রয়োজনে তাদের শিক্ষা ভাতা দেওয়া হোক। আমরা দ্রুতই আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ জানিয়ে দেবো। আমরা কোনোভাবেই এই বৈষম্য ও অযৌক্তিক কোটা মেনে নিতে পারি না।”

কোটা পুনর্নির্ধারণের বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, “আজকে আমাদের মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিদ্যমান যে কোটা ছিল সেটি আর থাকছে না। তবে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের জন্য ১% রাখা হয়েছে এ বছরের জন্য। পিছিয়ে পড়া এই এসব কর্মচারীদের কথা বিবেচনায় এটি রাখা হয়েছে।”

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চাপে কোটা পুনর্নির্ধারণের সিদ্ধান্ত আসেনি উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, “চাপ আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ না। আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো ন্যায্যতা ও যুক্তি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জন্মের কমপক্ষে ১০ বছর আগে থেকেই আমরা বলছি যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সন্তানদের এই কোটার কোনও যৌক্তিকতা নেই। কোটা পুনর্নির্ধারণের পরও কেউ যদি না মানে তাহলে আমাদের কিছু করার নেই। আমরা অনেক ভেবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

 

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ

আপনার জন্য নির্বাচিত

শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র পে-স্কেলের দাবি রুয়েট উপাচার্যের

যবিপ্রবির প্রধান ফটক সংলগ্ন সড়কের গতিরোধক সংস্কারের দাবি

নড়াইলে গুলি ম্যাগাজিন ও বিদেশী পিস্তলসহ দুইজন গ্রেফতার

মাভাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের আধিপত্য, চলছে অশ্লীল ও অসামাজিক কার্যক্রম

শিক্ষক ও ছাত্রীকে সাময়িক বহিষ্কার

জবিস্থ রংপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের নেতৃত্বে সোহাগ -আমিনুল

কর্মসূচির ধীর গতি, বিচার প্রক্রিয়ায় হতাশ শিক্ষার্থীরা

২৬ মে শুরু কুল-বিএসজেএ মিডিয়া কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ময়মনসিংহ মহানগরের সদস্যসচিবের ওপর হামলা

মাভাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার