বৃহস্পতিবার, 19 জুন 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

খামেনি আলী (রা.)-এর বংশধর, যেভাবে বনে গেলেন শীর্ষ ধর্মীয় নেতা

প্রতিবেদক
স্টাফ রিপোর্টার
বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫ - ৬:৩৭ অপরাহ্ন

ইসলামের ইতিহাসে কিছু বংশ রয়েছে, যেগুলো কেবল গৌরবময় নয়, বরং বিশ্ব মুসলিমের জন্য আদর্শস্বরূপ। তেমনই এক মহান বংশ থেকে আগত ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ১৯৩৯ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন ইরানের পবিত্র শহর মাশহাদে। তাঁর পিতার নাম আয়াতুল্লাহ জাওয়াদ হোসাইনী খামেনি। ‘হোসাইনী’ উপাধিটি প্রমাণ করে, তিনি হযরত আলী (রা.) ও ফাতেমা (রা.)-এর ঘরানার উত্তরসূরি এবং সরাসরি ইমাম হোসাইন (রা.)-এর বংশধর।

খামেনির শৈশব কেটেছে অভাব-অনটনের মধ্য দিয়ে। তাঁদের পরিবার ছিল অত্যন্ত সাধারণ ও ধর্মনিষ্ঠ। খাদ্যের সংকট থাকা সত্ত্বেও তাঁরা আত্মসংযম ও সাদাসিধে জীবনযাপন করতেন। ছোটবেলা থেকেই আলী খামেনি ছিলেন ধর্মপ্রাণ ও জ্ঞানপিপাসু। তিনি ইসলামী দর্শন ও আরবি সাহিত্যে গভীর জ্ঞান অর্জন করেন।

রাজতন্ত্রের কঠিন শাসন ও পশ্চিমা প্রভাবের বিরুদ্ধে যখন ইমাম খোমেনির নেতৃত্বে শুরু হয় ইসলামী বিপ্লব, তখন খামেনি ছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তিনি বিপ্লবী বক্তৃতা, গোপন বৈঠক ও প্রচারে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। এর ফলে একাধিকবার গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের শিকার হন। একবার বোমা হামলায় তাঁর ডান হাত চিরতরে অক্ষম হয়ে যায়, কিন্তু কখনও মনোবল হারাননি।

ইরান-ইরাক যুদ্ধের ভয়াবহ সময়ে তাঁকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। একজন আলেম হিসেবে রাষ্ট্রপ্রধান হওয়ার এই ঘটনা ইতিহাসে বিরল। যুদ্ধকালীন সময়ে তিনি জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা ও সেনাবাহিনীকে সংগঠিত রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

ইমাম খোমেনির মৃত্যুর পর, ১৯৮৯ সালে আলী খামেনিকে নির্বাচিত করা হয় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে। এই পদে তিনি রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হন। সেনাবাহিনী, পরমাণু কর্মসূচি, বিচার বিভাগ থেকে শুরু করে পররাষ্ট্রনীতির প্রতিটি দিকই তাঁর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর অবস্থানও অনন্য। ইসরায়েল তাঁর নাম শুনলেই শঙ্কিত হয়, যুক্তরাষ্ট্র একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেও তাঁকে নত করতে পারেনি। ক্ষমতার শীর্ষে থেকেও তিনি বিলাসিতা পরিহার করে সাধারণ জীবন যাপন করেন। নিয়মিত কুরআন পাঠ ও নামাজ আদায় করেন।

একজন দরিদ্র আলেম পরিবারের সন্তান হয়ে তিনি আজ ইসলামী বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতাদের একজন। শুধু রাজনৈতিক নেতৃত্বেই নয়, আধ্যাত্মিক ও আদর্শিক ক্ষেত্রেও তিনি হযরত আলী (রা.)-এর যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচিত।

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ

আপনার জন্য নির্বাচিত

জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস ইবির পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্তিকরণ

নাগেশ্বরীতে ব্যক্তিগত খামার ও বাগান কেটে জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণ, থানায় অভিযোগ দায়ের

পবিপ্রবিতে সুসজ্জিত ট্রেজারার কার্যালয়ের উদ্বোধন

রমজান ও পবিত্র ঈদ নির্বিঘ্ন করতে কঠোর অবস্থানে যশোর পুলিশ

পাবিপ্রবি প্রেসক্লাবের প্রথম ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে শুরু

পাবিপ্রবির রসায়ন বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান রতন কুমার পাল

নড়াইলে টমেটো চাষ করে দিন বদলের স্বপ্ন দেখছেন কৃষক

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে `গবেষণা মেলা’

শেকৃবিতে গাঁজাসহ শিক্ষার্থী আটক

শহীদ জাহিদ- নিলয়ের নামে বুক সেলফ উদ্বোধন