সোমবার, 16 জুন 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

শয়তানিয়াহুর শক্তি ও দুর্বলতা: বিশ্ব রাজনীতির পেছনের অদৃশ্য খেলাটি কী বলছে?

মোঃ নাসরুল্লাহ সাকিব, রামপুরা (ঢাকা) প্রতিনিধি
মোঃ নাসরুল্লাহ সাকিব, রামপুরা (ঢাকা) প্রতিনিধি
সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫ - ২:৩৯ অপরাহ্ন

বিশ্ব রাজনীতির সবচেয়ে রহস্যময় ও বিষাক্ত সম্পর্কগুলোর একটি গড়ে উঠেছে আমেরিকা ও ইসরায়েলের মধ্যে। ইসরায়েল—যে দেশটিকে অনেকেই “শয়তানিয়াহুর দেশ” বলে অভিহিত করেন—এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো মার্কিন জনগণের ট্যাক্সের অর্থ। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন নজির আর কোথাও নেই, যেখানে একটি দেশের সাধারণ মানুষের উপার্জনের টাকায় আরেকটি দেশ যুদ্ধের প্রস্তুতি চালায়, অস্ত্র সংগ্রহ করে এবং দখলদারিত্ব বজায় রাখে। এই ব্যতিক্রমী সম্পর্ক আজ শুধু অর্থনৈতিক নয়, বরং এক প্রকার দাসত্বের রূপ নিয়েছে।

কিন্তু এই শয়তানিয়াহুর সবচেয়ে বড় অস্বস্তির জায়গাও রয়েছে—তার অবস্থান। আরব রাষ্ট্রগুলোর বুকের মধ্যে, এমন এক ভূখণ্ডে বসে আছে সে, যেখান থেকে প্রতিনিয়ত শঙ্কা তৈরি হয়। এই আশঙ্কা থেকেই ইসরায়েল ও তার মিত্র আমেরিকা বারবার চেষ্টা করে আরব রাষ্ট্রগুলোকে নিজেদের প্রভাবের আওতায় রাখতে। কখনো চুক্তি, কখনো পুতুল সরকার, আবার কখনো কূটনৈতিক ‘উপঢৌকন’-এর মাধ্যমে তারা চেষ্টা করে এই রাষ্ট্রগুলোকে পরাধীন করে রাখতে। কারণ তারা জানে, একদিন যদি এই আরব রাষ্ট্রগুলো ঘুম ভেঙে জেগে ওঠে এবং ঐক্যবদ্ধ হয়—তবে তেল আবিব ধ্বংস হওয়া শুধু সময়ের ব্যাপার।

এই চক্র ভাঙতে হলে প্রয়োজন কার্যকরী পরিকল্পনা ও বাস্তব সম্মত কৌশল। দুইটি পথ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, আমেরিকাকে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করে ফেলা। কারণ আমেরিকা যতক্ষণ শক্তিশালী থাকবে, শয়তানিয়াহুর অস্তিত্ব ততক্ষণ নিরাপদ থাকবে। আজকের বাস্তবতায় এটা অসম্ভব নয়। আমেরিকা এখন একা নয়, তারও শত্রু আছে। রাশিয়া ও চীন—এই দুই পরাশক্তি মার্কিন আধিপত্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বহু আগেই। যদিও তারা মুসলমানদের স্বাভাবিক বন্ধু নয়, বরং অনেক সময়ে শত্রুও, তবু “শত্রুর শত্রু মিত্র” এই নীতিতে চললে, যৌথ স্বার্থে তাদের সঙ্গে মিত্রতা গড়ে তোলা অবাস্তব কিছু নয়। বিশেষ করে যখন লক্ষ্য হচ্ছে দাজ্জালের হাত ভেঙে ফেলা।

দ্বিতীয় পথটি আরও কঠিন—আরব রাষ্ট্রগুলোর মাঝে ঐক্য তৈরি করা। এটি কেবল রাজনৈতিক নয়, বরং বিশ্বাস ও আত্মপরিচয়ের গভীর সংকট। মুসলিম ভ্রাতৃত্বের আহ্বানে যদি আরব দেশগুলো না সাড়া দেয়, তবে তাদের কীভাবে জাগানো যাবে, তা জানা কঠিন। এ ক্ষেত্রে কেবল দুআ, হিদায়াত এবং অন্তরের জাগরণই পারে এই জাতিকে আবার ঐক্যবদ্ধ করতে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আমাদের পরিকল্পনা নয়, আল্লাহর পরিকল্পনাই শেষ কথা। যা আমাদের কাছে কল্পনাতীত, তা আল্লাহর কাছে সম্পূর্ণ সম্ভব। কাল যদি আমরা এমন একটি সকাল দেখে ফেলি, যেখানে আরব রাষ্ট্রগুলো শয়তানিয়াহুর বিরুদ্ধে একত্র হয়েছে—তবে তা হবে শুধু মানবিক নয়, বরং আধ্যাত্মিক বিজয়ের দিন। জাহান্নামের গর্ত ছাড়া তখন ইসরায়েলের কোনো আশ্রয় থাকবে না।

এই বিশ্ব আজ পরিবর্তনের মুখে দাঁড়িয়ে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেবে—কে দাঁড়ালো শয়তানের পাশে, আর কে জেগে উঠলো সত্যের ডাক শুনে।

সর্বশেষ - শিক্ষা

আপনার জন্য নির্বাচিত

বেরুবাড়ি ইউনিয়নে বিএনপির ইট বিতর্ক: এলাকায় চাঞ্চল্য

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে সনদ পেতে ঘুরতে হয় সাত দপ্তরে, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

পাবিপ্রবিতে র‍্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: প্রক্টর

বাকৃবিতে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের অফিস ভাঙচুর

গোপালগঞ্জে টুঙ্গিপাড়ায় শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী স্কাউট সমাবেশ

পাবিপ্রবির গুচ্ছ ভর্তি পরিক্ষা শেষে গ্রীন ভয়েসের ক্লিন ক্যাম্পাস কর্মসূচি

রাবির সাংবাদিকতা বিভাগে ‘সাসটেইনেবল জার্নালিজম’ শীর্ষক কর্মশালা

সিদ্ধিরগঞ্জে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্বীন ইসলাম নিহত

শহীদ হবিবুর রহমানের প্রয়াণ দিবসে রাবিতে শ্রদ্ধা

রাবিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু ১