শনিবার, 8 ফেব্রুয়ারি 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

বাকৃবির গবেষণা: ইউরোপিয়ান স্যাভয় ক্যাবেজের সফল উৎপাদন

আসিফ ইকবাল, বাকৃবি প্রতিনিধি
আসিফ ইকবাল, বাকৃবি প্রতিনিধি
শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ - ২:০৭ অপরাহ্ন

স্যাভয় ক্যাবেজ, বাঁধাকপির একটি বিশেষ প্রজাতি, যা বাংলাদেশে নতুন শীতকালীন সবজি হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। এটি মচমচে পাতা ও ভিন্ন স্বাদের জন্য সুপরিচিত, যা রান্না ছাড়াও কাঁচা ও স্যুপে ব্যবহারযোগ্য।

 

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে দেশীয় আবহাওয়ায় স্যাভয় ক্যাবেজের সফল চাষাবাদ হয়েছে। গবেষকদলে আরো ছিলেন বাকৃবির মাস্টার্স এর শিক্ষার্থী সাদিয়া রহমান মাইশা। গবেষণার মূল উদ্দেশ্য ছিল কৃষকদের মাধ্যমে এই পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ সবজিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

তিনি আরও বলেন, স্যাভয় ক্যাবেজ ইংল্যান্ড থেকে আনা হলেও এর নাম ফ্রান্সের একটি স্থানের নাম থেকে এসেছে, আর ইতালিতে এটিকে মিলান ক্যাবেজ বলা হয়। এটির চাষাবাদের ক্ষেত্রে জৈব মালচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। ফলন সম্পর্কে তিনি জানান, একেকটি স্যাভয় ক্যাবেজের মাথার ওজন দেড় থেকে দুই কেজি হয় এবং পাতা সহ ওজন প্রায় তিন কেজি পর্যন্ত হতে পারে।

 

পুষ্টিগুণের দিক থেকে, এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি ও ভিটামিন কে আছে, যা হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। এতে থাকা ফোলেট ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

 

গবেষক বলেন, স্যাভয় ক্যাবেজ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এবং এতে প্রাকৃতিক অ্যান্টিহিস্টামিন রয়েছে, যা অ্যালার্জি প্রতিরোধে সহায়ক। গবেষণায় দেখা গেছে, এতে থাকা আইসোথায়োসায়ানাইড উপাদান ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি প্রায় ৩৮ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারে।

 

ওজন কমানোর জন্য এটি ওয়েট লস ড্রিংক হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে, এবং এটি ডায়াবেটিক রোগীদের জন্যও উপকারী। ভিটামিনসমৃদ্ধ এই সবজিতে প্রচুর বিটা ক্যারোটিন থাকে, যা ভিটামিন এ এর অন্যতম প্রধান উৎস।

 

অধ্যাপক হারুন জানান, স্যাভয় ক্যাবেজের চাষাবাদ পদ্ধতি অন্যান্য বাঁধাকপির মতোই। গবেষণা প্লটে ২৫ দিনের চারা রোপণ করা হয় এবং চারা লাগানোর পর দুই মাসের মধ্যে এটি সংগ্রহযোগ্য হয়। সাধারণ বাঁধাকপির তুলনায় এর ফলন বেশি, এবং ম্যাচিউর হওয়ার পরও এটি সতেজ ও মচমচে থাকে, যা পশু খাদ্য হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ

আপনার জন্য নির্বাচিত

রেজোয়ানের অর্ধ-গলিত লাশ উদ্ধার

নানা আয়োজনে যবিপ্রবিতে জুলাই বিপ্লব উদযাপন

যশোর জেলা বিএনপির নির্বাচন নিয়ে নেতা-কর্মীদের উৎসবের আমেজ, ৫টি পদে তফসিল ঘোষণা

হাবিপ্রবিতে ক্যারিয়ার ক্লাবের পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

ময়মনসিংহে স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামীর আত্মহত্যা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়/ ক্যাম্পাসে র‌্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

কুয়েটে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা ও মহানবী (সাঃ) কে কটুক্তির প্রতিবাদে যবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ-মিছিল

কৃষি গুচ্ছের ১২৭ আসন শূন্য, অপেক্ষমান থেকে মেধাতালিকা প্রকাশ

মাধবপুরে একাধিক মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার

যশোরে প্রথম গর্ভে সন্তান রেখে এপেন্ডিসাইটিস অপারেশন করলেন – ডাক্তার পানু