বৃহস্পতিবার, 12 জুন 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

পতনের আগেই আত্মীয়দের পালানোর বার্তা দিয়েছিলেন, নেতাকর্মীদের কথা ভাবেনি হাসিনা

প্রতিবেদক
স্টাফ রিপোর্টার
বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫ - ১:৩৫ অপরাহ্ন

এক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের শুরুতে তাঁর পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পাঠান। বার্তায় ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের দ্রুত দেশত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তিনি তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র জানায়, ৩ আগস্ট বিকেলে শেখ হাসিনা পরিবারের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সদস্যের সঙ্গে এক বৈঠকে উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, তাঁর সরকার হয়তো আর বেশি দিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না। ওই বৈঠকের পরপরই তিনি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে আত্মীয়দের উদ্দেশে একটি সংক্ষিপ্ত বার্তা পাঠান, যাতে লেখা ছিল: “No one stay here”। অনেকেই একে সরাসরি দেশত্যাগের আহ্বান হিসেবে বিবেচনা করেন।

এক প্রবাসী আত্মীয় জানিয়েছেন, ৪ আগস্ট, কারফিউ চলাকালেই শেখ হাসিনার এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয় তাঁর পরিবারসহ দেশ ছাড়েন এবং পরে অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় গ্রহণ করেন। তিনি আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এবং বঙ্গবন্ধুর ভাই শেখ লুৎফুর রহমানের পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্য ছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত এই সাবেক সংসদ সদস্যের ভাষ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনা সেসময় দেশব্যাপী ছাত্র-জনতার ব্যাপক আন্দোলন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা থেকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা করেন। সেই আতঙ্ক থেকেই ঘনিষ্ঠদের জীবন রক্ষার্থে তিনি দেশত্যাগের নির্দেশ দেন।

এই বার্তার পরপরই বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যরা ধাপে ধাপে দেশত্যাগ শুরু করেন। জানা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকায় ফিরে বিমানবন্দরে পৌঁছালে শেখ হাসিনার মৌখিক নির্দেশ পান এবং এরপর দেশে না থেকে সরাসরি সিঙ্গাপুরে ফিরে যান।

সূত্র আরও জানায়, শেখ হাসিনা আত্মীয়দের নিরাপদ প্রস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর ৫ আগস্ট ছোট বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে গোপনে ভারত চলে যান। সেখান থেকে শেখ রেহানা লন্ডনে যান।

সরকার পতনের মাত্র দুই দিন আগে, ৩ আগস্ট, শেখ হাসিনা জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির একটি জরুরি বৈঠকে অংশ নেন, যেখানে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকে দেশজুড়ে চলমান অস্থিরতা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর নিরপেক্ষ অবস্থান তুলে ধরা হয়। সূত্র মতে, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগের অনুরোধও জানানো হয়।

বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় রয়েছে, এবং আওয়ামী লীগের সকল রাজনৈতিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে। তৎকালীন সরকারের একাধিক প্রভাবশালী নেতা—প্রাক্তন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য—বিভিন্ন অভিযোগে কারাবন্দি আছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে হত্যা, গুম, দুর্নীতি ও অর্থপাচারের মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে বঙ্গবন্ধু পরিবারের অধিকাংশ সদস্য আগেভাগেই দেশ ছেড়ে যাওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। ।

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ

আপনার জন্য নির্বাচিত

দূর্ঘটনায় লাশ হয়ে বাড়িতে আসলো চঞ্চল

বিমান আছড়ে পড়ে আহমেদাবাদের মেডিকেল কলেজ ছাত্রাবাসে, বহু শিক্ষার্থীর মৃত্যুর শঙ্কা

সাংবাদিক পরিচয়ে জাল টাকার ব্যবসা, জনতার হাতে আটক

মেয়াদ উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের উচ্ছেদকরণে পাবিপ্রবি হল প্রশাসনের অভিযান

ইবি শেখ রাসেল হল ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি অনিন্দ্য, সম্পাদক সায়েম

রাবিতে শিক্ষার্থীদের সমস্যা নিরসনে প্রশাসনের মতবিনিময়

কুবির বিজয়-২৪ হলে মাদক বিরোধী অভিযানে তিন রুম থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার

প্রাচীন গাঙ্গাটিয়া জমিদার বাড়িতে ডাকাতের হানায় বাসদ (মার্কসবাদী)র প্রতিবাদ

যশোরে প্রশিক্ষণ বিমানের ক্রাশ ল্যান্ডিং, অক্ষত দুই পাইলট

রাজশাহীতে করোনা শনাক্ত