শুক্রবার, 4 জুলাই 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

আশুরার দিনে নবীজির (সা.) শিক্ষা—ইবাদত ও রোজার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির ডাক

মোঃ নাসরুল্লাহ সাকিব, রামপুরা (ঢাকা) প্রতিনিধি
মোঃ নাসরুল্লাহ সাকিব, রামপুরা (ঢাকা) প্রতিনিধি
শুক্রবার, ৪ জুলাই ২০২৫ - ১২:০৯ অপরাহ্ন

মহররম মাস মুসলিম উম্মাহর কাছে এক তাৎপর্যপূর্ণ ও বরকতময় মাস। বিশেষত এর ১০ তারিখ, যা আশুরা নামে পরিচিত, ইসলামের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার স্মৃতি বহন করা এ দিনটি নবীজি (সা.)-এর কাছেও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি এ দিনে নফল ইবাদত ও রোজা পালনের প্রতি খুব গুরুত্ব দিতেন।

রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, এই দিন আল্লাহ তাআলার দরবারে ক্ষমা চাওয়ার, আত্মশুদ্ধি ও বেশি বেশি ইবাদতের মাধ্যমে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য উত্তম। সাহাবিরা এ দিনের মর্যাদা উপলব্ধি করতেন এবং দিনটি কোরআন তিলাওয়াত, তসবিহ, দরুদ শরিফ, নফল নামাজ, দান-সদকা ও তওবার মাধ্যমে কাটাতেন।

আশুরার দিন নবীজি (সা.) বিশেষভাবে রোজা রাখতেন। হিজরতের আগে মক্কায় অবস্থানকালেও তিনি এ রোজা পালন করতেন। মদিনায় হিজরতের পর তিনি দেখলেন যে ইহুদিরাও এ দিন রোজা রাখে। কারণ জিজ্ঞেস করলে জানানো হলো, এ দিন মুসা (আ.) আল্লাহর কৃপায় ফেরাউনের জুলুম থেকে রক্ষা পেয়েছিলেন। ইহুদিরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশে এ রোজা রাখে। নবীজি (সা.) তখন বলেন, মুসার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক তাদের চেয়ে গভীর। তিনি সাহাবিদেরও এ দিন রোজা রাখতে নির্দেশ দেন।

রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে আশুরার রোজা মুসলমানদের জন্য ফরজ ছিল। রমজান ফরজ হওয়ার পর এটি মুস্তাহাব বা নফল রোজা হিসেবে থেকে যায়। তবে ফজিলতের দিক থেকে এর মর্যাদা এখনো অনেক উঁচু। সহিহ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, আশুরার রোজা আগের এক বছরের ছোট (সগিরা) গুনাহ মাফ করে দেয়। এমন ফজিলতপূর্ণ রোজার প্রতি ভালোবাসা এত বেশি ছিল যে মদিনার মহিলারা তাদের ছোট বাচ্চাদেরও রোজা শেখাতেন। শিশুদের কাঁদলে তাদের পশমের খেলনা দিয়ে ভুলিয়ে রাখা হতো, যেন তারা ইফতারের সময় পর্যন্ত ধৈর্য ধরে রোজা রাখতে পারে।

আজও আমাদের উচিত নবীজির (সা.) এই সুন্নত ও শিক্ষা অনুসরণ করা। এই দিন ইবাদতে কাটানো এবং রোজা রাখা আমাদের তাকওয়া ও আত্মশুদ্ধি অর্জনের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। আশুরা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, আল্লাহর ওপর ভরসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মাধ্যমে বিপদ থেকে মুক্তি ও রহমত লাভ সম্ভব।

মুসলমানদের উচিত আশুরার রোজা এমনভাবে রাখা যাতে ইহুদি-খ্রিস্টানদের মতো এক দিনে সীমাবদ্ধ না থাকে। নবীজি (সা.) বলেছেন, যদি তিনি পরবর্তী বছর বেঁচে থাকেন, তাহলে তিনি ১০ মহররমের সঙ্গে ৯ তারিখেও রোজা রাখবেন। তাঁর এই নির্দেশনা অনুযায়ী সাহাবিরা আশুরার রোজা রাখতে গিয়ে ৯ ও ১০ মহররম অথবা ১০ ও ১১ মহররম দুই দিন রোজা রাখতেন। এতে মুসলিমদের স্বতন্ত্রতা প্রকাশ পায় এবং সুন্নতের পূর্ণ অনুসরণ হয়। সুতরাং আমাদেরও উচিত ১০ তারিখের সঙ্গে আগের দিন বা পরের দিন মিলিয়ে অন্তত দুই দিন রোজা রাখা এবং এ দিনের ইবাদতের ফজিলত অর্জনের চেষ্টা করা।

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ

আপনার জন্য নির্বাচিত

শীতের আমেজ ছড়িয়ে দিতে গ্রীন ভয়েসের ভিন্নধর্মী উদ্যোগ

উপাচার্যের স্বেচ্ছাচারিতায় ফ্যাসিস্টের দোসর ববি রেজিস্ট্রার স্বপদে পুনর্বহাল

আগামীর বাংলাদেশ হবে জুলুম নির্যাতন ও অন্যায় দুর্নীতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ – মাওলানা আবদুল হালিম

রাজশাহীতে প্রতারণা করে ফ্ল্যাট কেনার অভিযোগ

ফুলবাড়ীতে পাঁচ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, গণধোলাই দিয়ে যুবককে পুলিশে সোর্পদ

নাগেশ্বরীতে মাদক নির্মূল ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিশাল মানববন্ধন

আপনার সময়, তাদের বিজনেস—কে লাভবান?

ইবিতে হামলার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন

বিভাগীয় সাংবাদিকতা: চ্যালেঞ্জ ও সমাধান নিয়ে আরপিইউজের সম্মেলন

যবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠিত