রবিবার, 19 জানুয়ারি 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

বেগুনি ব্রোকলি, স্যাভয় ক্যাবেজ ও জুকিনির দেশীয় জাত উদ্ভাবনে কাজ করছে বাকৃবি

আসিফ ইকবাল, বাকৃবি প্রতিনিধি
আসিফ ইকবাল, বাকৃবি প্রতিনিধি
রবিবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৫ - ৩:৫৯ অপরাহ্ন

শীতকালীন জনপ্রিয় সবজি বাঁধাকপি ও ব্রোকলি পুষ্টি ও ভিটামিনের দুর্দান্ত উৎস হিসেবে সুপরিচিত। দেশে গ্রিন ব্রোকলির চাষ বহু আগে থেকেই প্রচলিত। এবার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ এবং তাঁর গবেষক দল শীতকালীন রঙিন সবজি স্যাভয় ক্যাবেজ, বেগুনি ব্রোকলি এবং জুকিনি/স্কোয়াশের দেশীয় জাত উদ্ভাবনে কাজ করে যাচ্ছেন।

স্যাভয় ক্যাবেজ ও বেগুনি ব্রোকলি নিয়ে গবেষণায় কাজ করেছেন অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ ও  রিসার্চ ফেলো হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মোছা: ফাতেমা তুজ জোহুরা। দশটি বিভিন্ন রঙের জুকিনির জাত নিয়ে গবেষণা করেছেন ওই অধ্যাপক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী আনিশা নূর মুমু।

স্যাভয় ক্যাবেজ নিয়ে অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘ফ্রান্সের স্যাভয় ক্যাবেজ বাংলাদেশে একদম নতুন একটি শীতকালীন সবজি যা সফলতার সাথে চাষে আমরা সক্ষম হয়েছি। সাধারণ বাঁধাকপির পাতাগুলো পরিপক্ক হলে কিছুটা শক্ত হয়ে যায়। কিন্তু স্যাভয় ক্যাবেজের পাতাগুলো মচমচে হওয়ায় এটি কাঁচা অবস্থায় খাওয়া যায় ও রান্না করে খেলেও সুস্বাদু লাগে। এছাড়াও বিভিন্ন ফাস্ট ফুডে যেমন বার্গার, স্যান্ডউইচ ইত্যাদির সাথে খাওয়া যায়।’

বেগুনি ব্রোকলি নিয়ে অধ্যাপক জানান, ‘বেগুনি ব্রোকলি দেশে প্রথমবারের মতো চাষের উপযোগী জাত হিসেবে বাছাই করা হচ্ছে। জাতটি ইংল্যান্ড থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং এর বৃদ্ধির হার সবুজ ব্রোকলির চেয়ে বেশি। বেগুনি ব্রোকলি স্বাদ ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ একটি সবজি। এর বেগুনি রঙের কারণে এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিশেষ করে অ্যান্থোসায়ানিন, বিদ্যমান। এটি ক্যান্সার প্রতিরোধী উপাদান সমৃদ্ধ, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।’

জুকিনি নিয়ে অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘স্কোয়াশ, যা ইতালিতে জুকিনি নামে পরিচিত, ইউরোপীয় দেশগুলোতে পিজ্জা ও পাস্তায় ব্যবহৃত হয়।’

অধ্যাপক আরো বলেন, ‘গবেষণায় দেখা গেছে, দেশীয় আবহাওয়ায় এর বৃদ্ধি ও বিকাশ অত্যন্ত ভালো। বাজারে সাধারণত সবুজ রঙের জুকিনি বেশি পাওয়া যায়, তবে গবেষণার মাধ্যমে কালো, হলুদ, গাঢ় সবুজ, হালকা সবুজ বিভিন্ন রঙের ও বিভিন্ন আকৃতির জুকিনি উৎপাদন করা হয়েছে। মাত্র ৫৫ দিনেই জুকিনি সংগ্রহ করা সম্ভব।’

রঙিন জুকিনি নিয়ে গবেষণার উদ্দেশ্য সম্পর্কে অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ জানান,

‘এই গবেষণার অর্থায়নের জন্য আমরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছি। পুষ্টিগুণ ও রোগ প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন রঙিন জুকিনি বাছাই এবং জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে এটি দেশের কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই।’

‘এছাড়া লাল বাঁধাকপির জাতও রয়েছে, যা বর্তমানে মাঠপর্যায়ে চাষ করা হচ্ছে। রঙিন হওয়ায় এর পুষ্টিগুণ সাধারণ (সবুজ) বাঁধাকপির তুলনায় বেশি। এটি মালচিং প্রক্রিয়ায় চাষ করা হয়েছে, যার ফলে পানি সংরক্ষণ করে ফলন বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে এবং পানির অপচয় রোধ হয়েছে।’ তিনি আরো যোগ করেন।

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ

আপনার জন্য নির্বাচিত

ইসরায়েলের গণহত্যা ও ভারতের হিন্দুত্ববাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দিরাইয়ে বিক্ষোভ মিছিল কাল

পবিপ্রবিতে বিশ্ব গ্রামীণ নারী দিবস পালিত

যবিপ্রবিতে গুচ্ছ পদ্ধতির ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে নবম শ্রেণির ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার: জমি সংক্রান্ত বিরোধে হত্যার অভিযোগ

জ্ঞানের আলোয় নিজেকে আলোকিত করার স্বপ্ন তূর্যের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহীতে বিশাল কর্মী সম্মেলন 

সিরাজগঞ্জে নতুন ফসল হিসেবে উৎপাদন হচ্ছে কাজলী জাতের স্কোয়াশ, স্কোয়াশ চাষে লাভবান হচ্ছে কৃষকেরা

দাবি না মানায় ফের মহাসড়ক অবরোধ ববি শিক্ষার্থীদের

নারায়ণগঞ্জে “জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ” এর উদ্বোধন

বাকৃবিতে এএফটি প্রজেক্ট প্রপোজাল রচনা কর্মশালার উদ্বোধন