শনিবার, 8 ফেব্রুয়ারি 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

হাবিপ্রবিতে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মীর উস্কানি, স্ক্রিনশর্ট ফাঁস

প্রতিবেদক
কামরুল হাসান, হাবিপ্রবি প্রতিনিধি
শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ - ১১:০৩ অপরাহ্ন

গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসগুলোতে প্রভাব বিস্তার ও নৈরাজ্য সৃষ্টি ছিল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা।৫ই আগষ্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যায় দীর্ঘ ৬ মাস দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ছাত্রলীগের পূর্বের সেই প্রভাব না থাকলেও আবারও নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করছে ছাত্রলীগ। 

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড প্রসেসিং এন্ড প্রিজারভেশন বিভাগের ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী ও সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী জুলকিফল ইসলাম তাজউদ্দীন আহমেদ হলে অবস্থান করার সুবাদে ৫ই আগষ্টের পূর্বে ছাত্রলীগ নেতার পরিচয়ে হলে বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছিলেন। ৫ই আগষ্টের পর গাঁ ঢাকা দিলেও আবারও তাজউদ্দীন আহমেদ হলে ছাত্রলীগের প্রভাব বিস্তার ও হলকে  অশান্ত করার জন্য হলের শিক্ষার্থীদের “তাজউদ্দীন পরিবার ২.০” নামক ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে নির্দেশনা দেয়ার একটি স্ক্রিনশর্ট ফাঁস হয় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরতে দেখা যায়। 

 

জানা যায়, বিগত ৪ই ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের তাজউদ্দীন আহমেদ হলের হল সুপার অধ্যাপক ড. মো. শোয়াইবুর রহমান বিকেল ৪ টায়  হলের মোট ৭৫টি আসন ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে মেধা ও সিনিয়রিটির ভিত্তিতে ৫০ জন শিক্ষার্থীকে হলে এলোটমেন্ট দেন। এলোটমেন্ট দেয়ার পর রাতে তাজউদ্দীন আহমেদ হলে অবৈধভাবে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা এই এলোটমেন্ট মানেন না বলে সবাই একযোগে স্লোগান দিতে থাকেন। তাজউদ্দীন আহমেদের শিক্ষার্থীদের এমন স্লোগানের পর পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি স্ক্রিনশর্টে ঘুরতে দেখা যায় যেখানে তাজউদ্দীন আহমেদ হলের সাবেক শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ কর্মী জুলকিফল ইসলাম হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদেরকে উস্কানিমূলক নির্দেশনা দিচ্ছেন। 

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাওয়া হল গ্রুপের সেই স্ক্রিনশর্টে দেখা যায় জুলকিফল লিখেছেন, ” হলের ছোট ভাইদের বলবো, সবাই একসাথে থাকার ট্রাই করো। এখন ইউনাইটেড থাকাটা পূর্ববর্তী সকল সময়ের চেয়ে অনেক বেশি জরুরি। ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য কেউ বৃহত্তর স্বার্থ অর্থাৎ আমাদের ভ্রাতৃত্বকে নষ্ট করিও না। আর হল সুপারের এধরনের স্বৈরাচারী আচরণের জন্য তাকে শিক্ষার্থীদের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য করো।  যদি সোজা আঙ্গুলে ঘি না ওঠে তাহলে হল সুপারের পদত্যাগের জন্য মানববন্ধন কিংবা শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচী গ্রহণ করা যেতে পারে। আশাকরি একসাথে থেকে সবাই এই সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে সর্বোচ্চ এফোর্ট দিবে। ভালোবাসা নিরন্তর।”

 

এবিষয়ে তাজউদ্দীন আহমেদ হলের হল সুপার অধ্যাপক ড. মো. শোয়াইবুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি তাজউদ্দীন আহমেদ হলের হল সুপার হিসেবে আসন ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে ৫০ জনকে আসন বরাদ্দ দেই। কিন্তু হলে থাকা অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা এটি মানতে নারাজ। পরবর্তীতে “তাজউদ্দিন পরিবার ২.০” নামে ম্যাসেঞ্জার গ্রুপের একটি স্ক্রিনশর্ট আমার চোখে পড়ে ৷ যেখানে দেখা যায়, তাজউদ্দীন আহমেদ হলের সাবেক শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের কর্মী জুলকিফল ইসলাম হলের জুনিয়র শিক্ষার্থীদেরকে উষ্কানি দিচ্ছেন ৷ শুধু তাই নয় আমাকে স্বৈরাচার আখ্যায়িত করে তাদেরকে আমার পদত্যাগের জন্য আন্দোলনে নামতেও বলেন ছাত্রলীগের এই কর্মী। জুলাই আন্দোলনে আমি শিক্ষার্থীদের পক্ষে কাজ করেছি তাই হয়তো আমার কাজে বিঘ্ন ঘটিয়ে হাবিপ্রবি ছাত্রলীগ খুশি থাকতে চায়। 

 

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি শেখ রিয়াদ বলেন,ছাত্রলীগের কর্মী পূর্বে যারা ছাত্রলীগের কর্মী বা আন্দোলনে হামলাকারী ছিলো প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। যার কারণে জুলফিকলের মতো ছাত্রলীগের কর্মী আজকে এই কাজগুলো করার সাহস দেখাচ্ছে। আমি প্রশাসনে এইসব ছাত্রলীগের কর্মীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। বিগত সময়ে তাজউদ্দীন আহমেদ হল থেকে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। স্যার জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলেন এজন্যই হয়তো স্যারকে হল সুপারের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্যই ছাত্রলীগের কর্মী জুলকিফলসহ অনেকেই ষড়যন্ত্র করছেন। 

 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের নেতৃবৃন্দ বলেন, যারা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে  চাঁদাবাজি, সিট বাণিজ্য, অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করে তুলেছিল। এখন তারাই আবার ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল করার জন্য ঐক্যবদ্ধের ডাক দেয়। একটি স্ক্রিনশটে আমরা সবাই দেখেছি জুলকিফল তাজউদ্দীন হলের সক্রিয় ছাত্রলীগের কর্মী হলের সবাইকে একত্রিত হতে বলতেছে।

আমরা স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, বিগত সময়ের মতো যে বা যাহারা এই রকম সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করতেছে, তারা যেই দলের সেল্টারেই থাকুক না কেন, তাদের ঠিকানা হাবিপ্রবি না, তাদের ঠিকানা হবে জেলখানা। আমরা তাদের এই অপচেষ্টার বিরুদ্ধে মাঠে নামতে প্রস্তুত আছি।

 

এবিষয়ে হাবিপ্রবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক বার্নাড পলাশ দাসকে কয়েকবার কল দিলে কল না ধরায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি৷ 

 

স্ক্রিনশর্টের বিষয়ে অভিযুক্ত জুলফিকল’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “ছাত্রলীগের সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই ৷ ২৪ শে যে গণঅভ্যুত্থান বা বিপ্লব হইলো সেখানে আমার অবস্থান কি ছিলো, সেটি আপনি আমার ফেসবুক আইডিতে গেলে দেখতে পারবেন। কে সমন্বয়ক হইলো, কে ছাত্রদল, কে ছাত্রলীগ সেইটা আমি কখনও পরোয়া করি না। আমার হলেই তো ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলো, তারপরও আমি ফেসবুকে ডিরেক্ট ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে পোস্ট দিছি। আর হলের যে বিষয়টা জুনিয়ররা আমাকে বলতেছিলো তাদের সিট তারা পাচ্ছে না। তখন আমি তাদেরকে বলছি স্যার যদি সহযোগিতা না করে তাহলে তোমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা এক থাকো। পরবর্তীতে স্যারে সাথে আমার কথা হয়েছে, আমার কথা আমি স্যার বলেছি। স্যার বলেছেন ঠিক আছে।”

 

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ

আপনার জন্য নির্বাচিত

৩২ বিশ্ববিদ্যালয়কে পেছনে ফেলে রানার্স আপ মাভাবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটি

নড়াইলে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেফতার

বাকৃবিতে স্নাতক প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে ৯ থেকে ১২ ডিসেম্বর

প্রফেসর ড. মো. জিল্লুর রহমানের ইন্তেকালে পবিপ্রবির গভীর শোক

ব্যবস্থাপনা বিভাগের কনফারেন্সের মধ্য দিয়ে পর্দা নামলো যবিপ্রবির ন্যাশনাল কনফারেন্স কার্নিভালের

ইবির বৃহত্তর কুমিল্লা ছাত্রকল্যাণ ফোরামের সভাপতি বান্না, সম্পাদক হুজ্জাতুল্লাহ

ইসরায়েল ‘লাল রেখা’ অতিক্রম করেছে: জাতিসংঘে চীনের ক্ষোভ

জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াডে রংপুর অঞ্চলের সেরা দশে হাবিপ্রবির ৩ শিক্ষার্থী

আল্লাহর রাব্বুল আলামিনের বিধানের ভিত্তিত্বে বাংলাদেশ চাই: জামায়াতের আমির

বাকৃবিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘মুহূর্তের মায়াজাল’