বৃহস্পতিবার, 2 জানুয়ারি 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

নোবিপ্রবিতে নতুন বছরের কর্ম পরিকল্পনা নিয়ে উপাচার্যের ঘোষণা

প্রতিবেদক
রবিউল নোবিপ্রবি প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারি ২০২৫ - ৫:০৭ অপরাহ্ন

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য ড. মোহাম্মদ ইসমাইল আজ বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায় নতুন বছরের কর্ম পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন।এসময়  নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ২০২৫ সালের ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি।

উপাচার্য তার বক্তব্য  বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষায় বিদ্যমান সেশনজট নিরসন। এজন্য একটি  ক্লাস প্রোগ্রাম প্রণয়ন করা হয়েছে, যেখানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কর্মচারীদের  অংশগ্রহণের মাধ্যমে সেশনজট দ্রুত নিরসনের করতে চায়।

বিশ্ববিদ্যালয়কে একাডেমিক এক্সিলেন্সে পরিণত করার জন্য ল্যাব সুবিধাসহ অন্যান্য ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর জন্য ৩৪২ কোটি টাকার একটি বাজেট পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের রিয়েকট্যান্ট মিটিংয়ে উপস্থাপনের অপেক্ষায় রয়েছে।তিনি আশা করেন প্রজেক্টটি খুব দ্রুত বাস্তবায়িত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামো বৃদ্ধি, সেন্ট্রাল অফ এক্সিলেন্স গড়া এবং উন্নত যন্ত্রপাতি বৃদ্ধি পাবে।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক র‌্যাঙ্কিং উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিং সেল গঠন করা হবে। ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বৃদ্ধি দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ করার জন্য প্রো-ভিসি ও শিক্ষকদের নেতৃত্বে একটি কমিটি কাজ করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক পরিকল্পনা হলো, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বৃহত্তর নোয়াখালী মানুষের কল্যানের জন্য শহরের প্রাণকেন্দ্রে একটি আন্তর্জাতিক ল্যাংগুয়েজ সেন্টার  স্থাপন করা।

এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিন সায়েন্স বিভাগসহ অন্যান্য বিভাগ থাকার জন্য কক্সবাজারে একটি ব্লু ক্লাইমেট ইনস্টিটিউট স্থাপনের মত প্রকাশ করেন তিনি। এটির মাধ্যমে সমুদ্র গবেষণা এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কাজ করা যাবে।

সর্বশেষ তিনি বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভোকেশন শিক্ষার্থী জন্য অত্যন্ত আনন্দের মুহূর্ত। এই বছরের শেষের দিকে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারী সবার অংশগ্রহণে কনভোকেশন করার পরিকল্পনার কথা জানান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্যবর্ধনের অন্যতম উপাদান পরিযায়ী পাখি। নোবিপ্রবির ময়না দ্বীপ এবং এই অববাহিকায় শীতকালীন পরিযায়ী পাখির আগমন আরও বৃদ্ধি করার জন্য পরিযায়ী পাখিদের নিয়ে গবেষণা এবং তাদের বসবাসের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরির সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে।

এসব পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে নোবিপ্রবি বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এগিয়ে যাবে এবং বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে বলে মনে করেন তিনি।

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ