রবিবার, 20 জুলাই 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

ঢাকায় জাতিসংঘ মানবাধিকার অফিস খোলায় বিতর্ক: মুসলিম মূল্যবোধে হুমকি?

মোঃ নাসরুল্লাহ সাকিব, রামপুরা (ঢাকা) প্রতিনিধি
মোঃ নাসরুল্লাহ সাকিব, রামপুরা (ঢাকা) প্রতিনিধি
রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫ - ৭:১৪ অপরাহ্ন

ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর (OHCHR) একটি অফিস খুলতে যাচ্ছে। এ নিয়ে ইতোমধ্যেই বিতর্ক দানা বাঁধতে শুরু করেছে। ১৮ জুলাই এক বিবৃতিতে জাতিসংঘ জানায়, বাংলাদেশ সরকারের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর আওতায় ঢাকায় মানবাধিকার মিশন চালু করা হবে। তবে বিশেষজ্ঞ ও সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছেন—এই অফিস কি দেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে, নাকি পশ্চিমা সংস্কৃতি ও এজেন্ডা চাপিয়ে দেওয়ার আরেকটি হাতিয়ার হবে?

জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার ভলকার টার্ক বলেন, বাংলাদেশ যে সংস্কারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তার ভিত্তি হিসেবে মানবাধিকারকে গ্রহণ করার অঙ্গীকারই এই সমঝোতার মূল বার্তা। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে—কোন মানবাধিকার? জাতিসংঘ ঘোষিত Universal Declaration of Human Rights (UDHR), নাকি ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (OIC) প্রস্তাবিত Cairo Declaration on Human Rights in Islam (CDHRI)?

মানবাধিকারকর্মীদের একাংশের মতে, UDHR-এর অনেক ধারা ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক। বিশেষত মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে ধর্ম অবমাননা বা নবী করীম (সা.)-কে কটুক্তি বৈধতার সুযোগ পেতে পারে। অথচ কায়রো ঘোষণায় স্পষ্টভাবে বলা আছে—এ ধরনের সীমালঙ্ঘন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। তাই জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকারকে ভিত্তি হিসেবে নিলে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগার আশঙ্কা করছেন অনেকে।

OHCHR-এর তথাকথিত ‘কারিগরি সহায়তা’ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। সমালোচকদের মতে, তাদের প্রশিক্ষণ ও সহায়তার সাথে নারীর স্বাধীনতা, সমকামী অধিকার ও পশ্চিমা সমাজব্যবস্থার বিভিন্ন নীতি সংযুক্ত থাকে। ফলে তারা আশঙ্কা করছেন—এই অফিস দেশের সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক অবস্থান তৈরি করতে পারে।

অন্য দেশগুলোর অভিজ্ঞতাও প্রশ্ন তুলছে। বিশ্বের অন্তত ১৮টি দেশে OHCHR-এর অফিস রয়েছে। কিন্তু সেসব দেশেই এখনও যুদ্ধ, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন চলছে। সমালোচকরা বলছেন, “যেখানে নিজেরাই কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি, সেখানে বাংলাদেশে মানবাধিকার রক্ষায় কীভাবে সফল হবে?”

এ নিয়ে সরকারের অবস্থান এখনো স্পষ্ট নয়। সমালোচকদের অভিযোগ, সরকার এই বিষয়ে জনগণকে অন্ধকারে রেখেছে। সমঝোতা নিয়ে কোনো জাতীয় আলোচনার আয়োজন করা হয়নি। বরং সরাসরি জাতিসংঘের বিবৃতির মাধ্যমেই দেশের মানুষ তা জানতে পেরেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ একটি মুসলিম-অধ্যুষিত স্বাধীন রাষ্ট্র। তাই কোনো সংস্কার প্রয়োজন হলে তা দেশের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্য রেখেই হতে হবে। তাদের দাবি—সমঝোতা স্মারকের শর্তাবলি প্রকাশ করা হোক এবং জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালিত হোক।

একজন ইসলামী চিন্তাবিদ বলেন, “ইসলামবিরোধী কোনো এজেন্ডা এ দেশে চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। পশ্চিমা মানবাধিকার নয়, ইসলামের অধিকারই হবে আমাদের সংস্কারের ভিত্তি। সরকারকে সেই অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে।”

সর্বশেষ - শিক্ষা

আপনার জন্য নির্বাচিত

অফিসে না এসেও পদ টিকিয়ে রেখেছেন চেয়ারম্যান, সেবা বঞ্চিত সাধারণ জনগণ

ময়মনসিংহে বিদেশী মদ পিকআপ সহ মাদক কারবারি আটক

৮ মাদক সেবনকারীর কারাদন্ড

সিদ্ধিরগঞ্জে দাম্পত্য কলহের গভীর রাতে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দিলেন স্ত্রী।

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি সীমান্তে মাদক সহ কারবারীকে আটক

ইবিতে নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করার অভিযোগে এক যুবক আটক

শিক্ষক লাঞ্ছনা, প্রক্টর সন্তোষ বসুর ঔদ্ধত্য এবং রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ: ২০২৪ এর পবিপ্রবি

বাকৃবিতে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীদের প্রথম ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের উদ্বোধন

যশোরের সাংবাদিক অভিকে হত্যার হুমকি

কুড়িগ্রামের উলিপুরে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে শিক্ষকের সিদ্ধান্তে চলছে বিদ্যালয়