বৃহস্পতিবার, 27 মার্চ 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে সনদ পেতে ঘুরতে হয় সাত দপ্তরে, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

বুলেটিন বার্তা
বুলেটিন বার্তা
বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫ - ১:৪৫ অপরাহ্ন

মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি:
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) সনদ উত্তোলনের প্রক্রিয়া অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ। শিক্ষার্থীদের একাধিক দপ্তরে ঘুরতে হয়, ফলে তারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের জন্য এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, নম্বরপত্র ও সনদ সংগ্রহ করতে গিয়ে তাদের একাধিক দপ্তরে যেতে হয়। বিভিন্ন সময়ে বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে পুরো সনদ উত্তোলন প্রক্রিয়াকে অনলাইনভিত্তিক করার দাবি জানিয়ে আসছেন।
প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা ও হয়রানি
সরেজমিনে দেখা যায়, সনদ উত্তোলনের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রথমে নির্দিষ্ট ব্যাংকে টাকা জমা দিতে হয়, যেখানে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হয়। এরপর আবেদন ফরম পূরণ করে তা সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরের জন্য জমা দিতে হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে হল প্রভোস্ট, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, শারীরিক শিক্ষা বিভাগ, রেজিস্ট্রার অফিসের একাডেমিক শাখা, বিএনসিসি প্লাটুন কমান্ডার এবং হিসাব অফিসের ছাত্র বেতন শাখায় অনুমোদন নিতে হয়।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এসব কার্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অনুপস্থিতির কারণে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়, যা কখনো কখনো দিন থেকে সপ্তাহ পেরিয়ে যায়। ফলে শিক্ষার্থীদের জন্য সনদ উত্তোলন প্রক্রিয়া অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শিক্ষার্থীদের মতামত
ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের স্নাতক সম্পন্ন করা শিক্ষার্থী আদিব রহমান রাহাত বলেন, “সনদ উত্তোলনের জন্য এক দপ্তর থেকে আরেক দপ্তরে ঘুরতে হয়। আবার অনেক সময় স্বাক্ষরের জন্য দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের পাওয়া যায় না। এতে সময় ও শ্রম দুটোই নষ্ট হয়। অথচ পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনে করলে এসব হয়রানি এড়ানো যেত।”
গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমান বলেন,
“বর্তমান যুগেও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় সনাতন পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সব কার্যক্রম অনলাইনে থাকলে শিক্ষার্থীদের এত ভোগান্তি পোহাতে হতো না।”
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বক্তব্য
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিসের সহকারী রেজিস্ট্রার মো. আল মামুন সরদার বলেন,
“এ বিষয়ে আমাদের পরিষ্কার কোনো তথ্য নেই। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর এ বিষয়ে ভালো বলতে পারবে।”
এ বিষয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে রেজাল্ট প্রক্রিয়ায় অটোমেশন এনেছি। ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের ব্যাংকে গিয়ে টাকা জমা দিতে হয় না। তবে সনদ উত্তোলন প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজেশন করতে হলে আরও কিছু অফিসকে অটোমেশনের আওতায় আনতে হবে। একাডেমিক কাউন্সিলে এটি উপস্থাপন করা হয়েছে, এবং একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন কত দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের হয়রানি কমাতে সনদ উত্তোলন প্রক্রিয়াকে অনলাইনভিত্তিক করা সময়ের দাবি।

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ

আপনার জন্য নির্বাচিত

খুবিতে শেষ হলো সংগঠন মেলা, শিক্ষার্থীদের পছন্দের শীর্ষে রোটারেক্ট ও বাঁধন

মাধবপুরে একাধিক মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার

আল কাসামের ভূত খ্যাত ‘আজ আল-দ্বীন হাদ্দাদ’ এখন হামাস প্রধান

বশেফমুবিপ্রবির প্রথম প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসাইন

চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় আরো ৩ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত

আইপিই বিভাগ রুয়েটে আধুনিক থ্রিডি প্রিন্টার, গবেষণা ও উদ্ভাবনে নতুন দিগন্ত

বাংলাদেশে প্রায় দুই কোটি মানুষ থ্যালাসেমিয়ার বাহক

দুপুর ২টার আগেই তালা মাদ্রাসায়, জেনেও ব্যবস্থা নেয় না উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা

সিদ্ধিরগঞ্জে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্বীন ইসলাম নিহত

সারাদিন ক্লান্তি ভাব? শরীরে ঘাটতি থাকতে পারে এই দুটি ভিটামিনের