মঙ্গলবার, 6 মে 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

কৃষ্ণচূড়ার রঙে রাঙানো মাভাবিপ্রবির পথ

মো: জিসান রহমান, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি
মো: জিসান রহমান, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫ - ৯:৪৫ অপরাহ্ন

মো জিসান রহমান, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলে অবস্থিত মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সবুজে ঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অনন্য নিদর্শন। এ ক্যাম্পাসের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে “কৃষ্ণচূড়া লেন” নামে পরিচিত এক অপূর্ব পথ।
২০১৯ সালে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের একটি ব্যাচের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে একাডেমিক ভবন-২ পর্যন্ত সড়কজুড়ে কৃষ্ণচূড়া গাছ রোপণ করেন। ধীরে ধীরে গাছগুলো বেড়ে ওঠে এবং প্রতিটি গ্রীষ্মে লাল কৃষ্ণচূড়ার রঙে ভরে ওঠে পুরো সড়কপথ। এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য ক্যাম্পাসজুড়ে এনে দেয় এক স্বর্গীয় আবহ।
শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই নয়, আশপাশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে দূরদূরান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীরাও এই লেনে ছুটে আসেন। কেউ ছবি তোলেন, কেউ গল্পে আড্ডায় মেতে ওঠেন, কেউবা নিঃশব্দে উপভোগ করেন প্রকৃতির সৌন্দর্য।
নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়ার ক্ষেত্রেও কৃষ্ণচূড়া লেন আজ এক সাংস্কৃতিক প্রতীক হয়ে উঠেছে। এ লেন যেন ক্যাম্পাসের গর্ব, শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা, এবং বাইরের মানুষের চোখে মাভাবিপ্রবির এক পরিচিত রূপ।
সাধারণ শিক্ষার্থীরা আরো জানান কৃষ্ণচূড়ার লেমে নে।
হিসাববিজ্ঞান ডিপার্টমেন্টের এস. এম কারবেল আযীম জানান মাভাবিপ্রবি সবুজে ঘেরা চিরচেনা ক্যাম্পাসের একটি অনন্য সৌন্দর্যের নাম “কৃষ্ণচূড়া লেন''
গ্রীষ্মকাল এলেই কৃষ্ণচূড়া লেন নতুন রূপ ধারণ করে। কমলা-লাল ফুলে আচ্ছাদিত গাছগুলোর নিচ দিয়ে হেঁটে গেলে মনে হয়, কেউ যেন আকাশ থেকে রঙ ঢেলে দিয়েছে। হালকা বাতাসে যখন কৃষ্ণচূড়ার পাপড়িগুলো ঝরে পড়ে, তখন পথটি রূপ নেয় এক রঙিন চাদরে—যেখানে প্রতিটি পা ফেলার শব্দই যেন এক স্নিগ্ধ ছন্দের সৃষ্টি করে।
কৃষ্ণচূড়া লেন শুধু একটি রাস্তা নয়, বরং এটি ছাত্রছাত্রীদের জন্য এক অনুভবের জায়গা—কখনো একাকিত্বের সঙ্গী, কখনো আবার বন্ধুদের হাসি-আড্ডার সাক্ষী। এই পথ ধরে হেঁটে যাওয়ার সময় অনেকেই নিজেদের ভাবনায় হারিয়ে যায়, কেউ কবিতা লেখে, কেউ ছবি তোলে, কেউ হয়তো জীবনের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবনায় মগ্ন থাকে।
ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স ডিপার্ট্মেন্টের মুহাম্মাদ তকী তাহমিদ ফরহাদ জানান :-কৃষ্ণচূড়া লেন ক্যাম্পাসের এক শান্ত, সুন্দর প্রান্ত। গাছের ছায়া আর ফুলের রঙ রাস্তাটিকে করে তোলে প্রাণবন্ত। এটি এখন শুধু চলার পথ নয়—ভালোবাসার, স্মৃতির আর ছবি তোলার জায়গা।
আরও গাছ লাগিয়ে এই সৌন্দর্য বাড়ানো সম্ভব। তবে সবচেয়ে জরুরি, আমরা সবাই সচেতন হই, যেন এই লেনের সৌন্দর্য নষ্ট না হয়।
আমার ক্যাম্পাস, আমার গর্ব—আমার দায়িত্ব, একে রক্ষা করা।
অর্থনীতি ডিপার্টমেন্টের ফারিয়া ইমরোজ জানান:-গ্রীষ্মের খরতাপে যখন ক্লান্ত প্রকৃতি, ঠিক তখনই কৃষ্ণচূড়া যেন হাজির হয় তার আঁধারে ঢেকে রাখা মাধুর্য নিয়ে৷ তার লাল-কমলা পএ-পল্লব যেন দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয় ক্যাম্পাসের মনোহরতা।অবসন্ন সারা বেলা পার করেও যখন কৃষ্ণচূড়ার দিকে তাকাই, মনে হয় যেন এক রঙিন উদ্বুদ্ধতার জন্ম হয় মনের কোণে।ছায়াতলে হাঁটতে গিয়ে মনে আসে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দুঃখগুলো বদলে গিয়ে সুখ হয়ে যায়!
আপাত কার্যকারণ ছাড়াই এই সময়টাতে প্রকৃতি তার রহস্যময় সুন্দর্যে কেড়ে নেয় মানুষের চিও-কে!!
হিসাববিজ্ঞান ডিপার্টমেন্টের সুবর্ণ স্বর্ণা বললেন, কৃষ্ণচূড়া লেন শুধু একটি পথ নয়—এটি প্রকৃতি, শিক্ষা ও আবেগের এক অসাধারণ সংমিশ্রণ। কৃষ্ণচূড়া গাছের লাল রঙের ফুল যখন ফুটে, লেনটি যেন রক্তিম আলোয় ভরে যায়। সেই দৃশ্য শিক্ষার্থীদের মনে জাগায় প্রশান্তি, ভালোবাসা এবং স্মৃতির ঢেউ।
এই লেনের পরিবেশ মানসিক চাপ কমিয়ে আনে, এক ধরনের শান্তির পরশ দেয়। কেউ এখানে হাঁটতে হাঁটতে ভাবেন ভবিষ্যতের স্বপ্ন নিয়ে, আবার কেউ এখানে রেখে যান জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্তগুলোর ছায়া।
সব মিলিয়ে, কৃষ্ণচূড়া লেন একটি অনুভবের নাম—যেখানে প্রতিটি পা ফেলায় থাকে ভালোবাসা, স্মৃতি আর একটুখানি আবেগ।
অর্থনীতি ডিপার্টমেন্টের অরূপা সরকার বললেন – একটি বৃষ্টি ভেজা দিন, মেঘলা আকাশ ঝিরিঝিরি বৃষ্টি পড়ছে। আমার পরনে লাল শাড়ি , হাতে কৃষ্ণছূড়া, চুলগুলো এলোমেলো আর ভিজে। কৃষ্ণচূড়া লেনে আলতা পায়ে একা একা হেটে চলেছি, হঠাৎ চোখ পড়লো ভার্সিটি পড়ুয়া এক কাপলের দিকে। ছেলেটি তার প্রিয়তমাকে লেনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে দিচ্ছে। কিন্তু ছবি ভালো হচ্ছে না বলে মেয়েটির ভীষণ অভিমান। আমি ছুটে গিয়ে আমার হাতে থাকা ফুলটি দিয়ে মেয়েটিকে বললাম ” ঝিম ধরা লেনে যখন পিয়তমা ছবি তুলে, প্রকৃতিও যেন গ্লেমার ছড়ায় 
কানে বুজে রাখা কৃষ্ণচূড়া ফুলে….”
সাধারণ শিক্ষার্থীরা আরো জানান মাভাবিপ্রবির ক্যাম্পাস, এভাবে বিভিন্ন সংগঠন এবং প্রশাসন যদি ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যের দিকে নজর দেন। তাহলে মাভাবিপ্রবি ক্যাম্পাস সৌন্দর্য অপরূপময় হয়ে উঠবে।

সর্বশেষ - শিক্ষা

আপনার জন্য নির্বাচিত

‎ ‎যৌথ প্রকল্পের অংশ হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার কুংজু ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধি দল সফরে আসছে

পাঁচ বিভাগীয় শহরে রাবির ভর্তি পরীক্ষা, অভিভাবক-শিক্ষার্থীদের স্বস্তি

বাকৃবিতে সন্ত্রাসবিরোধী মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা

বিদ্রোহী হল প্রভোস্টের পদত‍্যাগ চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে শিক্ষার্থীরা

রাজশাহীতে ফেন্সিডিল সহ আটক ২ জন

ছাগল বিক্রির টাকা নিয়ে তুলকালাম কান্ড

একটি দলকে খুশি করার জন্য নির্বাচন আগানো দুঃখজনক: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

মেয়াদ উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের উচ্ছেদকরণে পাবিপ্রবি হল প্রশাসনের অভিযান

পুঠিয়ায় হায়নার কামড়ে ৪জন আহত

বুয়েটে ‘ক্লাইমেট হোপ বাংলাদেশ ২০২৫’ : জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে তরুণদের জাগরণ