বৃহস্পতিবার, 19 জুন 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্ত কোটি কোটি মানুষ,হুমকির মুখে মানসিক স্বাস্থ্য

প্রতিবেদক
স্টাফ রিপোর্টার
বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫ - ৯:৩৮ অপরাহ্ন

প্রযুক্তির অগ্রগতি ও ইন্টারনেট সহজলভ্য হওয়ার ফলে বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। প্রতিদিনের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব, এক্স-এর মতো প্লাটফর্মগুলো। তবে এই ডিজিটাল অভ্যাসের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে একটি ভয়াবহ উদ্বেগ—সোশ্যাল মিডিয়ায় বাড়ছে মানুষের আসক্তি এবং এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে মানসিক স্বাস্থ্যে।

জার্মানভিত্তিক প্লাটফর্ম স্ট্যাটিস্টা জানিয়েছে, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫২২ কোটি ছাড়িয়েছে, যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬৪ শতাংশ। পূর্বাভাস বলছে, ২০২৮ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ৬০০ কোটিতে পৌঁছাবে।

কিন্তু এই অভাবনীয় বৃদ্ধির পাশাপাশি বাড়ছে নেতিবাচক প্রভাবও। ডাটা বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান ডিমান্ডসেইজ-এর এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বে প্রায় ২১ কোটি মানুষ সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তিতে ভুগছে, যা সরাসরি মানসিক স্বাস্থ্য ও দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলছে। বিশেষত তরুণরা এর বড় শিকার।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের ফলে বাস্তব জীবন থেকে বিচ্ছিন্নতা, উদ্বেগ, হতাশা, মনোযোগের ঘাটতি এবং আত্মসম্মানবোধে ভাটা পড়ার মতো সমস্যা তৈরি হচ্ছে। মনোরোগ চিকিৎসকরা বলছেন, অনেকেই বাস্তবের সম্পর্ক ও আবেগকে বাদ দিয়ে ভার্চুয়াল পরিচিতি ও ‘লাইক’-এর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, গড়ে একজন ব্যবহারকারী প্রতিদিন প্রায় ১৫১ মিনিট সোশ্যাল মিডিয়া ও মেসেজিং অ্যাপে সময় কাটায়, যা ২০১৫ সালের তুলনায় প্রায় ৪০ মিনিট বেশি। কিশোর-কিশোরীরা দিনে গড়ে ৭ ঘণ্টা ২২ মিনিট, আর ৮-১২ বছর বয়সীরা গড়ে ৪ ঘণ্টা ৪৪ মিনিট স্ক্রিনের সামনে কাটায়—যা শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধির জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক, যার ব্যবহারকারী সংখ্যা বর্তমানে ৩০৭ কোটির বেশি। সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে ২৫-৩৪ বছর বয়সীরা, যা ফেসবুকের মোট ব্যবহারকারীর প্রায় ৩০ শতাংশ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই সচেতন না হলে ভবিষ্যতে মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সংকট ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাই পারিবারিক পর্যায় থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও সচেতনতা জরুরি।

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ

আপনার জন্য নির্বাচিত

হবিগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়কে পুলিশে দিয়েছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র নেতারা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সরস্বতী পূজা উদযাপন

পোরশায় ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের উঠান বৈঠক

বাগমারায় ৫ প্রতারক গ্রেপ্তার

বেস্ট পেপার অ্যাওয়ার্ড পেলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী

যবিপ্রবিতে সুষ্ঠুভাবে শাবিপ্রবির ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

হাবিপ্রবি মজার ইস্কুলের নেতৃত্বে শুভ-রাকিবুল

উলিপুরে রাস্তার বেহাল দশা, ঝুঁকিতে চলাফেরা করছেন হাজারো মানুষ।

রাবিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবরুদ্ধের ঘটনায় ১২ সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি

রাবিতে এমফিল-পিএইচডি গবেষকদের বরণ করে নিল আইবিএস অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন