বৃহস্পতিবার, 19 জুন 2025 | [bangla_date]
  1. বিশেষ সংবাদ
  2. বাংলাদেশ
  3. রাজধানী
  4. শিক্ষা
  5. রাজনীতি
  6. আন্তর্জাতিক
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. খেলাধুলা
  10. প্রযুক্তি
  11. জীবনযাপন
  12. আইন অঙ্গন
  13. ভিডিও
  14. মতামত
  15. সম্পাদকীয়

জনগণ বনাম রাজনৈতিক দল

প্রতিবেদক
স্টাফ রিপোর্টার
বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫ - ১০:২০ অপরাহ্ন

জনগণের নামে ছোট ও বড় সব রাজনৈতিক দল আবার ঘাড় সোজা করে দাঁড়াবার স্বপ্নে উঠেপড়ে লেগেছে। সময়মতো টানাটানি করলেও বাস্তবে বাংলাদেশে ১৯৯১ সাল থেকে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ছাড়া প্রকৃত অর্থে জনগণের মতামত জানার মতো কোনো বিশ্লেষণধর্মী নির্বাচন হয়নি। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে পরপর দুটি সরকারই প্রমাণ করেছে যে, কোনো জনপ্রিয় সরকার নয়, বরং রাষ্ট্রযন্ত্রের ক্ষমতা ও নির্বাচনী কারসাজির ওপর নির্ভর করে এখন সরকার গঠন ও চালনা করা হয়। ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা সরকারের বিদ্যমান এই গ্রাস যে আর টিকে থাকবে না তা জনগণের ওপর ভরসাহীন নির্বাচনী ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিটি দল, বিশেষ করে বিএনপির বুঝে ফেলা উচিত। তারা যতই নির্বাচনী ব্যবস্থায় ‘ওয়ান মাস্ট গো’ পার্টি হবার জন্য নির্বাচনমুখী দাবিকে গুরুত্ব দিক না কেনো, ভোটার টার্নআউট এমনেস্টি বলছে, যেন তারা জনগণের মতামতের বাইরে একটি সুবিধাজনক, নির্ভরযোগ্য, নিরবচ্ছিন্ন – সুবিধাপ্রাপ্ত রাজনৈতিক কাঠামো স্থাপনের চিন্তায় ব্যস্ত।

বিশ্লেষক ওয়াশিংটনভিত্তিক প্রজেক্ট অন ম্যানেজমেন্ট বলেছে, দুই প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলের ভোটার টার্নআউট স্ট্যাটাস অসঙ্গতি জোর গলায় সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী কথা বলে দাবি করেন, জনগণ নাকি তাদের মনের পক্ষেই আছেন। কেমন করে তারা অন্যের মনের কথা জানেন, সেটাই অজানাই রয়ে গেছে। ইউরোপের স্ট্যাটরাও প্রধানমন্ত্রীর ঘাড় ঘাড় এসে ‘ভোটার টার্নআউট’ মন বোঝে এবং বিশ্লেষণ করেন। সেই প্রেক্ষাপটেও দেখা যাচ্ছে, ক্ষমতাসীন দল বা বিরোধীদল দু’টোই চায় যেন রাজনৈতিক দলগুলোর ইমেজ ইউরোপের চোখে সবচেয়ে বেশি ফার্মার থাকে।

প্রথমেই রাজনৈতিক দলগুলোর চাওয়া নিয়ে খানিকটা আলোচনা করা যাক।

আওয়ামী লীগের নেতা, কায়েমি সমর্থকদের প্রধান চাওয়া ড. ইউনূস সরকারের পরে দ্রুত সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্যাসিবদের দোসর সব দল এবং এমবিএম জাতীয় পাটির ভাই ভাই ট্যাগ করে দেশের শাসনক্ষমতায় শেখ হাসিনার হাতকে আরও পাকাপোক্ত করা। তারা বিশ্বাস করে বাংলাদেশে আগে যেভাবে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কোনো পরিবর্তন আসেনি, ভবিষ্যতেও কোনো পরিবর্তন আসবে না। এদের পূর্বসূরিরা যেভাবে নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে বিয়োগান্তক কাহিনী তৈরির চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েছে, এবারও ঠিক তেমনি নির্লজ্জ মিথ্যাচার এবং শূন্য নির্যাতনের মধ্যে ড. ইউনূস।

বিরোধী দলগুলির একমাত্র জামায়াত ও ইসলামী ঐক্য। বর্তমান বাংলাদেশের বিপরীতমুখী সাংবিধানিক সংস্কৃতি হলো, নির্বাচনের ব্যবহারই হচ্ছে সরকার পরিবর্তনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক উপাদান। কিন্তু এই ব্যবস্থায় সরকার পরিবর্তনের সুযোগ নেই। কারণ, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়েছে। ফলে বিরোধীদলগুলো নির্বাচনে অংশ নেয় না বা অংশ নিলেও ফলাফল মানে না। এই অবস্থায় একটি বিশ্বস্ত বিরোধী জোট গঠন করাই বিএনপির সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক কর্তব্য। এই কর্তব্য পালনে ব্যর্থ হলে আগামী দিনের রাজনীতিতে বিএনপি যে অস্তিত্ব হারাবে, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এমনকি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও তাদের আর গ্রহণযোগ্য দল হিসেবে দেখবে না।

বিএনপি ও তাদের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট যে, তারা বর্তমানে আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটানোর পন্থায় বিশ্বাসী। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই আন্দোলনের রূপরেখা কি? কীভাবে তারা এ আন্দোলন পরিচালনা করবে? তাদের ‘দুর্বার আন্দোলনের’ ঘোষণা এখন জনগণের কাছে হাস্যকর বলেই প্রতীয়মান হয়। কারণ, বিগত আন্দোলনগুলো সবই ব্যর্থ হয়েছে।

অন্যদিকে, বিএনপির আন্দোলনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা যায় না। বরং অনেক ক্ষেত্রেই তারা ভীত ও আতঙ্কগ্রস্ত থাকে। রাজপথে বিএনপির ‘দখল’ নেই বললেই চলে। বরং, আওয়ামী লীগ সমর্থিত সংগঠনগুলোই রাজপথ দখলে রেখেছে। বিএনপি এখন জনগণের আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। এই পরিস্থিতিতে বিএনপির উচিত হবে নিজেদের ঘর সামলানো এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া।

আলোচনায় আসে আরেকটি বিষয়, তা হলো– রাজনৈতিক দল এবং জনগণের সম্পর্ক। রাজনৈতিক দলগুলো আজ জনগণের ওপর ভরসা না রেখে, বরং নিজেদের দলীয় সুবিধার জন্য সবকিছু করে যাচ্ছে। ফলে, জনগণের ভরসা দলগুলোর ওপর কমে যাচ্ছে। জনগণ এখন স্বাধীন, নিরপেক্ষ, কার্যকর নেতৃত্ব চায়। এই চাহিদা মেটাতে না পারলে যেকোনো দলই আগামীতে রাজনীতি থেকে ছিটকে পড়বে।

সবশেষে বলা যায়, বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংস্কার এখন সময়ের দাবি। রাজনৈতিক দলগুলোকে মনে রাখতে হবে, তাদের অস্তিত্ব নির্ভর করছে জনগণের ওপর। জনগণকে পাশ কাটিয়ে কোনো রাজনীতি এখন টেকেনা। সুতরাং, রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত হবে আত্মসমালোচনা করা এবং সৎ, যোগ্য নেতৃত্ব তুলে আনা। তাহলেই দেশের রাজনীতি আবারও গণমুখী হবে।

লেখক

মাহমুদুর রহমান

সম্পাদক, দৈনিক আমার দেশ

সর্বশেষ - বিশেষ সংবাদ

আপনার জন্য নির্বাচিত

রমজান ও পবিত্র ঈদ নির্বিঘ্ন করতে কঠোর অবস্থানে যশোর পুলিশ

গুচ্ছের ‘বি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ সোমবার সন্ধ্যায়

যবিপ্রবির প্রধান ফটক সংলগ্ন সড়কের গতিরোধক সংস্কারের দাবি

ফিলিস্তিন ইস্যুতে প্রধান উপদেষ্টাকে যে বার্তা দিলেন মো. আবু জুবায়ের

পাবিপ্রবি প্রেসক্লাবের মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শহীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য কিছু জরুরি টিপস

জাবিপ্রবিতে ভিসি, প্রো ভিসিকে খুলনা বিভাগীয় ছাত্র কল্যাণ পরিষদের শুভেচ্ছা

বাকৃবির ডেপুটি রেজিস্ট্রার শামসুজ্জামান রতনের মৃত্যুতে কৃষিবিদ শামীমের শোকবার্তা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

জাবিপ্রবির ক্রীড়া দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক হলেন নাজমুল হুদা